ড. রাখী চক্রবর্ত্তী:পৃথিবীতে আসার পর থেকে প্রতিনিয়ত এই মানুষটা আমাদের আগলে রাখেন, আমাদের জন্য সব দুঃখ কষ্ট হাসি মুখে মেনে নেন। কে এই মানুষটা?  মা। “মা” এই শব্দটির মতো এতো মধুর শব্দ পৃথিবীতে আর একটিও নেই। এই শব্দটির মধ্যে লুকিয়ে আছে পৃথিবীর সব মায়া, মমতা, স্নেহ, আদর, ভালোবাসা। মা শাশ্বত, চিরন্তন একটি আশ্রয়ের নাম। প্রতিটি মায়ের সঙ্গে তার সন্তানের সম্পর্ক চিরন্তন। মায়ের সাথে সন্তানের অদৃশ্য একটা বন্ধন থাকে যে বন্ধনের জন্য মাকে কিছু বলে দিতে হয়না, সন্তানের সব ব্যাথা, সব কষ্ট মায়েরা বুঝতে পারেন। প্রতিটি মায়ের কাছে গল্পের সেই সোনার কাঠি রুপোর কাঠি থাকে যা দিয়ে সন্তানদের জীবনের সব দুঃখ-কষ্ট দূর করে দিতে পারেন।

Aqief Afzal, ASRBC, ACI Seed, ACI Ltd:The first and foremost rule is to build up or construct a well-organized lab. For this, some rules must be maintained very strictly.

ড. রাখী চক্রবর্ত্তী:সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন কৃষি ও কৃষকবান্ধব। তিনি স্বপ্ন দেখেছিলেন ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশের। তাঁর স্বপ্নের সোনার বাংলায় তিনি দেখতে চেয়েছিলেন দেশের কৃষি ও কৃষকের সর্বাঙ্গীন উন্নয়ন এবং স্বনির্ভরতা। বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের জনগনের ক্ষুধা ও দারিদ্র মুক্তির লক্ষ্যে কৃষি উন্নয়নে নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন।

এটি সেবনে প্রায় ২০০০ জন করোনা রোগী সুস্থ হয়েছেন দাবী এই বিজ্ঞানীর
এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম:প্রানঘাতী মহামারি করোনার তান্ডবে সারা বিশ্ব যখন টালমাটাল ঠিক এমনি একটি সময়ে এই রোগের প্রতিষেধক হিসেবে এমন একটি ভেষজ উদ্ভিদের সন্ধান দিয়েছেন কৃষি বিজ্ঞানী ড. মো. এনায়েত আলী প্রামানিক। তাঁর দাবী এই উদ্ভিদই বাঁচাতে পারে হাজারো মানুষের জীবন। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের সরেজমিন গবেষণা বিভাগ, বরেন্দ্র কেন্দ্র, রাজশাহীতে কর্মরত ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. এনায়েত আলী প্রামানিকের দাবী কোভিড-১৯ ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় একটি ভেষজ উদ্ভিদের পাতার রস ব্যবহার করে তিনি অভূতপূর্ব সফলতা পেয়েছেন। তিনি আরও জানান, এই পাতার রস এ্যাজমা, নিউমোনিয়া ও ব্রংকাইটিস রোগের প্রতিষেধক হিসাবে কাজ করে। বিশেষ করে কোভিড-১৯ জনিত নিউমোনিয়া সারাতে এই পাতার জুড়ি নেই।

মোঃ হুমায়ন কবির:বাংলাদেশে ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে কৃষি উৎপাদন বেড়েই চলছে এ ব্যাপারে কোন সন্দেহ নেই। দেশে খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি করতে গিয়ে শস্যের নিবিড়তা বাড়ছে ঠিকই, কিন্তু দিনদিন  মাটির উৎপাদনশীলতা ও উর্বরতা শক্তি কমে যাচ্ছে। ফসল উৎপাদনের জন্য ভালো বীজ ও উত্তম ব্যবস্থাপনা যেমন প্রয়োজন তেমনি মাটির স্বাস্থ্য ভালো রাখার বিকল্প নেই। উপযুক্ত মাটি না হলে অর্থাৎ ফসলের প্রয়োজনীয় খাদ্য উপাদান সমৃদ্ধ মাটি না হলে দীর্ঘমেয়াদে কাঙ্খিত উৎপাদন টিকিয়ে রাখার আশা করা যায় না৷বাংলাদেশে জনসংখ্যার তুলনায় আবাদি জমির পরিমাণ খুবই কম, তাই এ জনগোষ্ঠীর  খাদ্য চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে জমির উর্বরতা বৃদ্ধি ও সংরক্ষণের মাধ্যমে অধিক ফসল আবাদের প্রচেষ্টা গ্রহণ করা অত্যন্ত প্রয়োজন।

কৃষিবিদ দীন মোহাম্মদ দীনু; বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ব বিদ্যালয় রিসার্চ সিস্টেম (বাউরেস) আয়োজিত  আজ  ২৭ এপ্রিল মঙ্গলবার বাকৃবির অনুদানপ্রাপ্ত গবেষণা প্রকল্পসমূহের সূচনা সেমিনার ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন সদস্য অধ্যাপক ডক্টর মোঃআবু তাহের এবং প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য প্রফেসর ড. লুৎফুল হাসান।  সম্মানিত অতিথি ছিলেন কৃষি অনুষদ এর ডিন অধ্যাপক ড. এম.এ রহিম।