এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম:মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, “করোনাকালে মাছ, মাংস, দুধ, ডিম মানুষের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। মানুষের পুষ্টি ও আমিষের প্রয়োজন মেটাতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় ও আওতাধীন দপ্তর কাজ করছে। কোভিড-১৯ মহামারির প্রথম পর্যায়ে খামারিদের উৎপাদিত দুধ, ডিম, মাছ, মাংস তাদের মাধ্যমে, গ্রুপভিত্তিক ভ্রাম্যমান টিম গঠন করে এবং ক্ষেত্র বিশেষে মন্ত্রণালয়াধীন দপ্তর-সংস্থার মাধ্যমে ভ্রাম্যমাণ বিক্রির ব্যবস্থা করা হয়েছে। দেশের ৫০ বছরের ইতিহাসে এ জাতীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

কাজী কামাল হোসেন, নওগাঁ:নওগাঁর মহাদেবপুরের রাইগাঁ ডিগ্রী কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা এক অসহায় কৃষকের ধান কেটে মাড়াই করে ঘরে তুলে দিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। করোনা ভাইরাসের মহামারিতে যখন কৃষক বাবুল হোসেন শ্রমিকের অভাবে জমির ধান কাটতে পারছিলেন না তখন খবর পেয়ে রাইগাঁ ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ আরিফুর রহমানের নেতৃত্বে ২৫-৩০জন শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও ম্যানেজিং কমিটির সদস্যবৃন্দ ওই কৃষকের ৩ বিঘা জমির ধান কেটে মাড়াই করে ঘরে তুলে দিয়েছেন।

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম:কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক এমপি বলেছেন, খাদ্যের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে আমাদের বিজ্ঞানীরা নিরলসভাবে কাজ করছে। সম্প্রতি ব্রি--৮১, ব্রি- ৮৯, ব্রি ৯২, মুজিববর্ষে ব্রি- ১০০সহ অনেকগুলো উন্নত জাতের ধান উদ্ভাবিত হয়েছে। ব্রি-৮১, ব্রি- ৮৯ ও  ব্রি ৯২ জাতের ধানের ফলন অনেক বেশি। প্রতি বিঘায় ২৫- ৩০ মণ, প্রতি শতকে প্রায় ১ মণ। এ জাতগুলো  চাষের মাধ্যমে দেশে নতুন করে সবুজ বিপ্লব ঘটবে। দেশে খাদ্য উৎপাদন অনেকগুণ বাড়বে ও ভবিষ্যতে খাদ্য সংকট হবে না।

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম:হাওরে প্রায় শতভাগ বোরো ধান কাটা শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক এমপি। তিনি বলেন, এবছর  সারা দেশে আনন্দমুখর পরিবেশে বোরো ধান কাটা চলছে। ইতোমধ্যে হাওরের প্রায় শতভাগ ধান কাটা শেষ হয়েছে। আশা করা যায়,  সারাদেশে সফলভাবে ধান কাটা শেষ করা যাবে। কৃষিমন্ত্রী আজ শুক্রবার টাঙ্গাইলের মধুপুরে ব্রাহ্মণবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন মাঠে মধুপুর কৃষক লীগ আয়োজিত ধান কাটা উৎসব অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম:প্রাণিসম্পদ খাতে সরকারের চলমান উন্নয়ন প্রকল্পের যথাযথ বাস্তবায়ন দেশে যুগান্তকারী উন্নয়ন ঘটাতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম। বৃহস্পতিবার (০৬ মে) রাজধানীর ফার্মগেটে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সভা কক্ষে অধিদপ্তরের প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্পের কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদানকালে মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম:কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক এমপি বলেছেন, দেশে খাদ্য নিরাপত্তায় অনেকগুলো চ্যালেঞ্জ রয়েছে। দেশে ১৭ কোটি মানুষ রয়েছে; আর প্রতি বছর বাড়ছে ২২-২৩ লাখ করে। অন্যদিকে নানা কারণে চাষযোগ্য জমির পরিমাণ কমছে। রয়েছে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবও। এ অবস্থায় দেশের মানুষকে খাওয়ানো, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়া কঠিন চ্যালেঞ্জ। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বিজ্ঞানীরা নিরলসভাবে কাজ করছে। ইতোমধ্যে ফসলের অনেক নতুন জাত ও চাষাবাদের প্রযুক্তি উদ্ভাবিত হয়েছে।  ফলে, ক্রমশ জনসংখ্যা বাড়লেও খাদ্য নিরাপত্তার চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করা সম্ভব হচ্ছে।