এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম:পদ্মা সেতু দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনীতিতে অভাবনীয় পরিবর্তন আনবে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম। শুক্রবার (৩ জুন) পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় পর্যটন হলিডে কমপ্লেক্সে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) আয়োজিত সীউইড মেলার উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান মন্ত্রী।

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম:ইলিশের স্বাদ, রং, গন্ধ, প্রাকৃতিক বিচরণক্ষেত্র এসব নিয়ে আমাদের গবেষকরা প্রচুর গবেষণা করছেন। গবেষণা থেকে অনেক তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। আমরা ইলিশকে পুরাতন যুগের ইলিশের জায়গায় নিয়ে যেতে চাই। ইলিশ হবে সমৃদ্ধ ও সুস্বাদু। এর সুগন্ধ ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন দপ্তর-সংস্থা ও বিজ্ঞানীরা কাজ করছে। তারা কাজ করতে গিয়ে অনেক সময় প্রতিকূলতার মুখোমুখি হচ্ছেন। যতই প্রতিকূল পরিবেশ আসুক সেটা মোকাবিলা করতে হবে।

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম:কৃষিকে লাভজনক ও বাণিজ্যিক করতে সরকার কাজ করছে। সেজন্য প্রচলিত ফসলের পাশাপাশি কৃষকদেরকে অপ্রচলিত অর্থকরী ফসল চাষেও উৎসাহ ও প্রণোদনা দেয়া হচ্ছে। দেশে ও আন্তর্জাতিক বাজারে এই অ্যালোভেরার অনেক চাহিদা রয়েছে। খোলাবাড়িয়া গ্রাম অ্যালোভেরাসহ বিভিন্ন ঔষধি ফসল চাষের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত । এর চাষ সারা দেশে ছড়িয়ে দেয়া ও সুষ্ঠু বাজারজাতে সব ধরনের সহযোগিতা দেয়া হবে। কম সুদে ঋণ প্রদান, রপ্তানির ব্যবস্থা ও প্রক্রিয়াজাতে উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম:বাংলাদেশের পোল্ট্রি উদ্যোক্তারা ফিল্ড ভিজিটে গিয়ে ডাচ প্রযুক্তি সরেজমিনে পরিদর্শন করলেন। পরিদর্শনকালে তারা ডাচ প্রযুক্তির প্রায়োগিক দিকগুলো নিয়ে নানা আলোচনা করেন। ডাচ সরকার ইতিমধ্যে বাংলাদেশের পশু খাদ্য, পোলট্রি, অ্যাকুয়াকালচার বিষয়ে গবেষণা কার্যক্রম সম্পাদন করেছে, যা ওই দেশের বেসরকারি খাতকে আরও উৎসাহিত করেছে।

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম:দুধের উৎপাদন বাড়াতে বেসরকারি খাতকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম। বুধবার (০১ জুন) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ মিলনায়তনে  বিশ্ব দুগ্ধ দিবস ২০২২ উদযাপন ও ডেইরি আইকন সেলিব্রেশন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ আহ্বান জানান। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর এ অনুষ্ঠান আয়োজন করে।

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম:ডাচ প্রযুক্তি ব্যবহার করে উৎপাদন বাড়াতে একসঙ্গে কাজ করতে চায় বাংলাদেশ ও নেদারল্যান্ডসের কৃষি উদ্যোক্তারা। সোমবার (৩০ মে) নেদারল্যান্ডসের হেগে এগ্রি-বিজনেস কনক্লেভে বাংলাদেশের প্রায় ৪০ জন উদ্যোক্তা ডাচ কৃষি খাতের বিভিন্ন কোম্পানির সঙ্গে সরাসরি প্রযুক্তি সহযোগিতা ও ব্যবসায়িক সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করে ব্যস্ত সময় পার করেছেন। বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা একদিকে প্রযুক্তি কিনতে আগ্রহী। অন্যদিকে ডাচরা প্রযুক্তি সহযোগিতা দিতে রাজি হয়েছেন।