এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম:মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মুহাম্মদ ইয়ামিন চৌধুরী আজ সোমবার (২২ নভেম্বর) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএলআরআই) পরিদর্শন করেন এবং ইনস্টিটিউটের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাগণের সাথে এক মত বিনিময় সভায় অংশ নেন। এসময় তাঁর সফরসঙ্গী হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডাঃ মনজুর মোহাম্মদ শাহজাদা এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রাণিসম্পদ-২) জনাব এস এম ফেরদৌস আলম।

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম:প্রিয় প্রাঙ্গণ, প্রিয় ক্যাম্পাস বাকৃবি চত্বর সোমবার বেলা তখন একটা। হালকা শীতের আকাশ, মৃদুমন্দ হাওয়া। প্রতিদিনের মতই বাকৃবি চত্ত্বরে কৃষিবিদ, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, ছাত্রলীগ, কর্মকর্তা- কর্মচারীসহ বিভিন্ন মহলের অসংখ্য মুখ সামনে সমবেত। কোনো রাজনৈতিক সমাবেশ নয়। নয় কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষ্ঠান। সমবেত সবার অপেক্ষা সকল কৃষিবিদদের প্রিয় নেতা মরহুম কৃষিবিদ বদিউজ্জামান বাদশা-এর জন্য। নিজ এলাকা শেরপুরের নালিতাবাড়িতে চিরনিদ্রায় শায়িত হবার আগে সবার সাথে প্রিয় ক্যাম্পাসে শেষ দেখা করতে এসেছেন তিনি।

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম:চিরশান্তির দেশে চলে গেলেন বরেণ্য কৃষিবিদ বদিউজ্জামান বাদশা (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)। তিনি প্যানক্রিয়াটিক ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ সোমবার (২২ নভেম্বর) ভোর রাত্রি ৩:০০ টায় ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৩ বছর। তিনি স্ত্রী এক পুত্র ও এক কন্যা ও অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।

"আজি পূর্ণ কৃতার্থ জীবন। কোনো ঠাঁই
মোর মাঝে কোনো দৈন্য কোনো শূন্য নাই"
এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম:কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এই পংক্তি দুটি বাস্তব হয়ে ধরা দেয় কিছু কিছু মানুষের জীবনে। কিছু মানুষ তার সততা, আন্তরিকতা, কর্তব্যনিষ্ঠা আর পরিশ্রমের মধ্যে দিয়ে পৌঁছে যায় সাফল্যের সুবর্ণ শিখরে। ষড়ঋতুর পালাবদলে প্রকৃতিতে যখন শীতের রুক্ষতার আগমণী বার্তা, তেমনি এক সময়ে দীর্ঘ ও সাফল্যমণ্ডিত বর্ণাঢ্য কর্মজীবন অতিবাহিত করে অবসরে গেলেন বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএলআরআই)-এর মহাপরিচালক ড. মোঃ আবদুল জলিল।

রাজধানী প্রতিনিধি:কৃষিবিদ বদিউজ্জামাল বাদশা ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী প্রানবন্ত গতিশীল দৃপ্ত নির্ভীক একজন নেতা। এই বয়সেও ছিল তার অফুরন্ত প্রানশক্তি ; দেশের এক  প্রান্ত হতে অন্য প্রান্তে ছুটে বেড়াতেন কৃষির উন্নয়ন, কৃষিবিদের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে এবং রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের জন্য। পড়াশোনা জানা স্মার্ট এ অমায়িক সংগঠক চমৎকার বক্তৃতা করতেন। তাঁর এই অসাধারণ বাগ্মিতা তাঁকে এনে দিয়েছিল এক গগনচুম্বী জনপ্রিয়তা। হৃদয় নিংড়ানো কথামালার মজবুত গাঁথুনি দিয়ে তার বক্তৃতা সবাই মন্ত্রমুগ্ধের মতো হয়ে শুনতো।

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম:আমার জন্য অতি প্রিয় একটি ইনস্টিটিউট বিএলআরআই। এই জাতীয় ইনস্টিটিউট গড়ে তোলার সুযোগ পাওয়ায় আমরা সবাই গর্বিত। আমার কয়েকজন ছাত্র-ছাত্রী এই ইনস্টিটিউটে সেবা করে আসছেন। আমি তাদের জন্য এবং এই ইনস্টিটিউটের জন্য গর্বিত।