ড. মো. শাহজাহান কবীর:শ্রীলংকা দক্ষিণ এশিয়ার একটি দ্বীপরাষ্ট্র। বর্তমানে চরম এক সংকটকাল অতিক্রম করছে দেশটি। চারিদিকে এখন শুধু হাহাকার। জ্বালানী তেল এবং খাদ্য কেনার জন্য উর্ধ্বশ্বাসে ছুটছে সাধারণ মানুষ। সমাধান যেন হাতের নাগালের বাহিরে। ৫০০ টাকা দিয়েও পাওয়া যাচ্ছেনা এক কেজি চাল। এই চরম অবস্থায় মানুষ বিক্ষোভ এবং অবরোধ করছে । প্রতিহিংসা ছড়িয়ে পড়ছে চারিপাশে। সরকারের মন্ত্রীরা পদত্যাগ করছে। প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপক্ষে ও প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাজাপক্ষে ছাড়া মন্ত্রিসভার ২৬ সদস্য গত রোববার রাতে এক বৈঠকের পর পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছে। চলমান পরিস্থিতিতে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ঠেকাতে দেশটিতে গত শনিবার থেকে ৩৬ ঘণ্টার কারফিউ চলছে। কোনভাবেই নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছেনা। খাদ্যে উদ্বৃত্ত একটি দেশ কেন হঠাৎ করে চরম খাদ্য ঘাটতির দেশে পরিণত হলো এবং এর পিছনের কারণ কী !

Agrilife24.comThrive for Change winning projects include work to eliminate food waste in Bolivia, put vegetable production tools into the hands of African farmers and use microalgae to eliminate nutrient pollution in the world’s water / Winners are delegates from Bayer’s Youth Ag Summit and YAS University/Awardees will receive a €5,000 bursary to execute their impact projects ein Stipendium in Höhe von 5.000 Euro für die Durchführung ihrer Projekte

কৃষিবিদ ড. এম. মনির উদ্দিন: বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সাধারনত পেস্টিসাইড ব্যবহার করা হয়। পেস্টিসাইড হলো বিষাক্ত রাসয়নিক যা বাংলাদেশে কীটনাশক, ছত্রাকনাশক, আগাছানাশক এবং ইঁদুরনাশক হিসেবে অর্ন্তভুক্ত। দেশে প্রায় ৫০০টির বেশী রাসয়নিক পেস্টিসাইড ও ৪৩টি জৈব পেস্টিসাইড প্রতিষ্ঠান নিবন্ধিত। জনসংখ্যার চাহিদা অনুযায়ী উৎপাদন করে খাদ্য সরবরাহ করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। ফলস্বরুপ, ফসলের উৎপাদনশীলতা বাড়াতে জমিতে নিবিড়ভাবে সার, সেচ এবং পেস্টিসাইড ব্যবহার করতে হচ্ছে। যদিও এটি সর্বজনবিদিত যে, পেস্টিসাইডের অনেক ক্ষতিকারক প্রভাব রয়েছে। কারন পেস্টিসাইড মানব শরীরে নানা রকমের প্রভাব ফেলে যেমন চোখ ঝলসে যাওয়া, ফোস্কা পড়া, অন্ধত্ব, বমি বমি ভাব, মাথা ঘোরা, ডায়রিয়া এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। আর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাবের মধ্যে ক্যান্সার, জন্মগত ক্রুটি, ডায়বেটিস, কিডনী রোগ, ইমিউনিটক্স্রিসিটি এবং এন্ডোক্রাইন সিস্টেমের ব্যাঘাত ইত্যাদি।

Md. Abu Abdullah:The livestock sector plays an important role in our economy. It can solve the problems of malnutrition, unemployment, empowerment of women, growth of fertility of agricultural land, making the talented nation and earning foreign exchange. Meat, egg, and milk play a vital role to meet the demands of food of animal origin in our everyday life. Under Article 18 (1) of our Constitution says, “The state shall regard the raising of the level of nutrition and the improvement of public health as among its primary duties.”

ড. জগৎ চাঁদ মালাকার:বাংলাদেশের আবহাওয়া মাঠফসল, ফল ও শাকসবজি চাষের খুবই উপযোগী। আমাদের দেশে রয়েছে সমৃদ্ধ প্রাকৃতিক সম্পদ যেমন-প্রখর সূর্য়ের আলো, উর্বর কৃষি জমি, ভালো সেচ ব্যবস্থাপনা, বৃষ্টিপাত এছাড়া রয়েছে প্রাকৃতিক বৈচিত্রের ষড়ঝতুর বাংলাদেশ। অর্থাৎ যে কোনো ফসল সফলভাবে উৎপাদন করা সম্ভব। বাংলাদেশের কৃষি ক্রমেই খরপোষ কৃষি (Subsistance Agriculture বা স্বনির্ভর কৃষি থেকে বাণিজ্যিক কৃষিতে (Commercial Agriculture) পরিবর্তিত হচ্ছে। ফলস্বরূপ এদেশে বর্তমানে ড্রাগন ফল, মাল্টা, কমলা, স্ট্রবেরি, কফি, কাজুবাদাম, মেলন ইত্যাদি সফল ভাবে চাষ করা হচ্ছে।

Abul Bashar Meraz:Agriculture and farmers are the backbone of Bangladesh's economy. The Constitution of Bangladesh identifies effective measures for the purpose of agricultural revolution, improvement of nutritional status of the people and development of public health as one of the duties of the state. Agriculture is closely linked with the life and livelihood of the people of Bangladesh. Economic development of this country is not possible without agriculture. Proper planning is essential for the overall development of the agricultural sector in line with the growing population of the country.