কৃষিবিদ সামছুল আলম:মাছ বাঙালি জাতির সংস্কৃতি ও কৃষ্টির অংশ। দেশের ক্রমবর্ধমান জনগোষ্ঠীর পুষ্টি চাহিদা পূরণ, কর্মসংস্থান, দারিদ্র্যবিমোচন ও রপ্তানি আয়ে মৎস্য খাতের অবদান আজ সর্বজনস্বীকৃত। মোট দেশজ উৎপাদনের প্রায় ৪.৭৩ শতাংশ মৎস্য উপখাতের অবদান এবং কৃষিজ জিডিপিতে ২৫.৭২ শতাংশ। আমাদের দৈনন্দিন খাদ্যে প্রাণিজ আমিষের প্রায় ৬০ শতাংশ আসে মাছ থেকে। দেশের প্রায় ১৪ লাখ নারীসহ মোট জনসংখ্যার ১২ শতাংশেরও বেশি অর্থাৎ প্রায় ২ কোটি মানুষ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মৎস্য খাতের ওপর নির্ভর করে জীবিকা নির্বাহ করছে। দেশের মানুষ গড়ে জনপ্রতি প্রতিদিন ৬০ গ্রাম চাহিদার বিপরীতে ৬২ দশমিক ৫৮ গ্রাম মাছ বর্তমানে গ্রহণ করছে।

ড. জগৎ চাঁদ মালাকার:প্রাকৃতিক উপায়ে জৈব উপকরণ ব্যবহার করে যে কৃষি কাজ করা হয় তাকে জৈব কৃষি বলে। আমাদের চার পাশে যা কিছু আছে অর্থাৎ গাছ-পালা, মানুষ, পশু পাখি, মাটি, পানি, বাতাস, এসব নিয়ে পরিবেশ গঠিত হয়। কৃষি উৎপাদনের সাথে জড়িত উপাদান যেমন কৃষি জমি, ফসল, রোগ-বালাই,পোকা-মাকড়, পানি, বায়ু আলো, তাপমাত্রা, আর্দ্রতা, বৃষ্টিপাত এসব নিয়ে কৃষি পরিবেশ গঠিত। মাটি ফসল ফলানোর একমাত্র মাধ্যম। জৈব সার মাটির প্রাণ।

Dr. Arun C Mazumder, Dr. Venket M Shelke, Dr. Partha P Das, and Dr. Rahul Mittal
Kemin Industries South Asia Pvt. Ltd.

ড. জগৎ চাঁদ মালাকার:বাংলাদেশ পৃথিবীর কৃষি প্রধান একটি দেশ। কৃষি খাদ্য আমদানি নির্ভরতা কমানোর জন্য দেশের প্রতি ইঞ্চি জমি ফসল ফলানোর কাজে লাগানোর জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দিক নির্দেশনা দিয়েছেন। কৃষি যান্ত্রিকীকরণের সাথে সাথে ব্যবহার করতে হবে লাগসই প্রযূক্তি। আর ন্যায্যমূল্যে সরবরাহ করতে হবে সার, সেচ, বীজ, কীটনাশক ইত্যাদি। সরকারি নির্দেশনা মেনে সরকারী, বেসরকারী বা স্বায়িত্বশাসিত প্রতিটি অফিসের পতিত জমি কৃষি কাজে লাগানোর কার্যকরী উদ্যোগ অত্যন্ত জরুরি। আগামী দিনের কৃষিতে করোনার মতো অজানা রোগ জীবাণু সংক্রমণ ঘটলে খাদ্য সমস্যা হতে পারে।

কৃষিবিদ মোঃ কবির হোসেন:কাজু বাদাম একটি গ্রীষ্মমন্ডলীয় ফল। বাংলাদেশের সর্বত্র এর চাষ সম্ভব। কাজু বাদামকে বলা হয় প্রাকৃতিক পুষ্টিকর ফল। এর ২টি অংশ খাওয়ার উপযোগী। কাজু অর্থাৎ আপেল অত্যন্ত রসালো এবং বাদাম অতিকর পুষ্টিকর খাবার। পাকা কাজু আপেল সাধারণ আপেলের মত খাওয়া যায়। কিন্তু বাদাম কাঁচা অবস্থায় খাওয়ার উপযোগী নয়। প্রক্রিয়াজাত করার পর বাদাম খাওয়া হয়। খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টি সমস্যা সমাধানে কাজু বাদামের ভূমিকা অপরিসীম।

Aqief Afzal, ASRBC, ACI Seed:The development of DNA (or molecular) markers has irreversibly changed the disciplines of plant genetics and plant breeding. While there are several applications of DNA markers in the case of breeding, the most promising for cultivar development is called marker assisted selection (MAS). MAS is a process in which a marker is used for indirect selection of a genetic determinant or determinants of a trait of interest, i.e., abiotic stress tolerance, disease resistance, productivity, and/or quality.