Dr. F H Ansarey:Bonded Warehousing is a facility that has been provided exclusively to the export-oriented industries by the National Board of Revenue (NBR). These specialized warehouses facilitate the import of inputs or raw materials as well as packaging items without paying any duty or taxes for a wide range of industries.

ড. জগৎ চাঁদ মালাকার:ভাল ফলন পেতে হলে জমিতে নিয়মিত সার দিতে হয়। জমিতে সার দিলে গাছ তার প্রয়োজনীয় খাবার ও পুষ্টি পায়। কোন সার প্রয়োজনের বেশি মাটিতে প্রয়োগ করলে বা প্রয়োজনের কম প্রয়োগ করলে গাছের বিভিন্ন ক্ষতি হয়ে থাকে। এতে আর্থিক ক্ষতিসহ ফলনের এবং মাটির উপর বিরূপ প্রভাব পরে। তাই মাটিতে সঠিক পরিমান সার প্রয়োগ নিশ্চিত করা দরকার।

মো: কবির হোসেন:কফি একটি জনপ্রিয় পানীয়। আজকের বিশ্বে মানুষ কোন সভা, আলোচনা অনুষ্ঠান ও বন্ধুমহলের আড্ডায় কফি কিংবা চা ছাড়া চিন্তাই করা যায়না। শরীর রিফ্রেশ বা স্বাদের জন্য অনেকেই কফি পান করেন। নরম পানীয় হিসেবে সর্বত্র ও সর্বমহলে চা ও কফি খুব জনপ্রিয়। চা বাংলাদেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে রপ্তানী করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করলে এখনো কফি চাষে আমরা পিছিয়ে আছি। যদিও বর্তমানে দেশের বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি, টাংগাইল, রংপুর ও নীলফামারীতে খুব স্বল্প পরিসরে কফির চাষ হচ্ছে ।

খসরু মোহাম্মদ সালাহউদ্দিনঃদেশে কৃষি যান্ত্রিকীকরণের মাধ্যমে আধুনিক কৃষি ব্যবস্থাপনা পরিচালনার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে বিভিন্ন গবেষণা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডীন এবং কৃষি শক্তি ও যন্ত্র বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মুহাম্মদ রাশেদ আল মামুন।

কৃষিবিদ সামছুল আলম:মাছ বাঙালি জাতির সংস্কৃতি ও কৃষ্টির অংশ। দেশের ক্রমবর্ধমান জনগোষ্ঠীর পুষ্টি চাহিদা পূরণ, কর্মসংস্থান, দারিদ্র্যবিমোচন ও রপ্তানি আয়ে মৎস্য খাতের অবদান আজ সর্বজনস্বীকৃত। মোট দেশজ উৎপাদনের প্রায় ৪.৭৩ শতাংশ মৎস্য উপখাতের অবদান এবং কৃষিজ জিডিপিতে ২৫.৭২ শতাংশ। আমাদের দৈনন্দিন খাদ্যে প্রাণিজ আমিষের প্রায় ৬০ শতাংশ আসে মাছ থেকে। দেশের প্রায় ১৪ লাখ নারীসহ মোট জনসংখ্যার ১২ শতাংশেরও বেশি অর্থাৎ প্রায় ২ কোটি মানুষ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মৎস্য খাতের ওপর নির্ভর করে জীবিকা নির্বাহ করছে। দেশের মানুষ গড়ে জনপ্রতি প্রতিদিন ৬০ গ্রাম চাহিদার বিপরীতে ৬২ দশমিক ৫৮ গ্রাম মাছ বর্তমানে গ্রহণ করছে।

ড. জগৎ চাঁদ মালাকার:প্রাকৃতিক উপায়ে জৈব উপকরণ ব্যবহার করে যে কৃষি কাজ করা হয় তাকে জৈব কৃষি বলে। আমাদের চার পাশে যা কিছু আছে অর্থাৎ গাছ-পালা, মানুষ, পশু পাখি, মাটি, পানি, বাতাস, এসব নিয়ে পরিবেশ গঠিত হয়। কৃষি উৎপাদনের সাথে জড়িত উপাদান যেমন কৃষি জমি, ফসল, রোগ-বালাই,পোকা-মাকড়, পানি, বায়ু আলো, তাপমাত্রা, আর্দ্রতা, বৃষ্টিপাত এসব নিয়ে কৃষি পরিবেশ গঠিত। মাটি ফসল ফলানোর একমাত্র মাধ্যম। জৈব সার মাটির প্রাণ।