সিভাসু’তে ডিভিএম ইন্টার্নশিপ ফিডব্যাক প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম: চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিভাসু) ভেটেরিনারি মেডিসিন অনুষদের ডিভিএম (ডক্টর অব ভেটেরিনারি মেডিসিন) ২৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থীরা সম্প্রতি পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, জাপান এবং বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, দেশের বিভিন্ন প্রাণী হাসপাতাল, চিড়িয়াখানা ও সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে এক বছরের ইন্টার্নশিপ সম্পন্ন করে। এ উপলক্ষ্যে রবিবার পরিচালক (বহিরাঙ্গন কার্যক্রম) দপ্তর একটি ইন্টার্নশিপ ফিডব্যাক প্রোগ্রামের আয়োজন করে।

সকাল ৯টায় সিভাসু অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত ফিডব্যাক প্রোগ্রামে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান। পরিচালক (বহিরাঙ্গন কার্যক্রম) প্রফেসর ড. এ. কে. এম. সাইফুদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফুড সায়েন্স ও টেকনোলজি অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. ফেরদৌসী আকতার, ফিশারিজ অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. শেখ আহমাদ আল নাহিদ, ভেটেরিনারি মেডিসিন অনুষদের ডিন প্রফেসর গৌতম কুমার দেবনাথ এবং পরিচালক (ছাত্রকল্যাণ) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ রাশেদুল আলম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ডিভিএম ইন্টার্নশিপ কো-অর্ডিনেটর প্রফেসর ড. আমীর হোসেন সৈকত।

শুরুতে পাকিস্তানের লাহোরে অবস্থিত ইউনিভার্সিটি অব ভেটেরিনারি অ্যান্ড এনিম্যাল সাইন্সেস (ইউভিএএস)-এ ৪৫ দিনের ইন্টার্নশিপ কাযক্রমের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন সিভাসু’র পরিচালক (গবেষণা ও সম্প্রসারণ) প্রফেসর ড. আবদুল আহাদ। উল্লেখ্য, তিনি শিক্ষার্থীদের সাথে গাউড হিসেবে পাকিস্তান সফর করেন। এরপর শিক্ষার্থীরা ইউভিএএস-এর ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রামের ওপর প্রেজেন্টেশন দেন এবং ইউভিএএস-এ হাতেকলমে জ্ঞান অর্জনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। ইউভিএএস-এ ইন্টার্নশিপের মাধ্যমে তাদের ক্লিনিক্যাল দক্ষতা, রোগ নির্ণয়ের ক্ষমতা এবং পেশাগত আত্মবিশ্বাস ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন। শিক্ষার্থীরা ইউভিএএস কর্তৃপক্ষের আতিথেয়তা এবং সহায়ক শিক্ষা সংস্কৃতির ভূয়সী প্রশংসা করেন।

উল্লেখ্য, ইউভিএএস পাকিস্তানের একটি প্রাচীন বিশ্ববিদ্যালয়। এটি ১৮৮২ সালে লাহোরে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এটি পাকিস্তানের কৃষিবিজ্ঞান বিষয়ক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে অন্যতম। সম্প্রতি উক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে সিভাসু’র একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।

উক্ত ফিডব্যাক প্রোগ্রামে ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, জাপান এবং বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, দেশের বিভিন্ন প্রাণী হাসপাতাল, চিড়িয়াখানা ও সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ইন্টার্নশিপ সম্পন্ন করা শিক্ষার্থীরাও তাদের স্ব স্ব প্লেসমেন্টের ওপর ফিডব্যাক প্রেজেন্টেশন প্রদান করেন।