প্রতিকূল পরিস্থিতির মাঝেও একটি টেকসই ও লাভজনক পোল্ট্রি খামার পরিচালনায় সচেতনতা প্রয়োজন

নিজস্ব প্রতিবেদক: আধুনিক বিজ্ঞানভিত্তিক চাষাবাদ পদ্ধতি ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষে গত ২৯শে ডিসেম্বর, সোমবার গাজীপুর জেলার জয়দেবপুর উপজেলায় বায়োকেয়ার এগ্রো লিমিটেড-এর উদ্যোগে একটি সফল ও প্রাণবন্ত খামারি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। বর্তমান সময়ে পোল্ট্রি শিল্পের সংকটময় পরিস্থিতিতে দেশের প্রান্তিক খামারিদের পাশে দাঁড়িয়েছে বায়োকেয়ার এগ্রো লিমিটেড। খামারিদের মনোবল বৃদ্ধি এবং কীভাবে প্রতিকূল পরিস্থিতির মাঝেও একটি টেকসই ও লাভজনক পোল্ট্রি খামার গড়ে তোলা সম্ভব পাশাপাশি বাজারব্যবস্থার উন্নয়ন সহ পণ্য বিপনণের চ্যালেঞ্জিং বিষয়গুলি তুলে ধরেন বক্তারা ।

আরিশা পোল্ট্রি মেডিসিনের স্বত্বাধিকারী জনাব আবু তৈয়বের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই কর্মশালায় বায়োকেয়ার এগ্রো লিমিটেড-এর প্রোফাইল ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপন করেন কোম্পানির ডেপুটি সেলস ম্যানেজার ডাঃ শামীম রহমান। অনুষ্ঠানে পোল্ট্রি খামারের কারিগরি ও প্রযুক্তিগত খুঁটিনাটি এবং আধুনিক সমাধান নিয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন টেকনিক্যাল সার্ভিস অফিসার (TSO) ডা. তানজিমুল ইসলাম সাফোয়ান। পুরো অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত দক্ষতার সাথে পরিচালনা করেন রিজিওনাল সেলস ম্যানেজার জনাব মো. মেহেদী হাসান এবং সিনিয়র এম ও জনাব মো. আরিফ।

কর্মশালায় বক্তারা বর্তমান বাজারের অস্থিরতা নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে বলেন, ডিম ও ব্রয়লার মুরগির ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হওয়া আমাদের খামারিদের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। তবে এই কঠিন সময়ে খামার বন্ধ না করে বরং সচেতনতা বৃদ্ধি এবং উন্নত মানের পণ্যের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন তারা। বায়োকেয়ার এগ্রো লিমিটেড-এর লক্ষ্য হলো আধুনিক ও বিজ্ঞানভিত্তিক খামার ব্যবস্থাপনার সমাধান সরাসরি খামারিদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া। সঠিক নিয়ম মেনে উন্নত মানের পণ্য ব্যবহার করলে উৎপাদন খরচ কমিয়ে লাভজনক অবস্থানে পৌঁছানো সম্ভব বলে কর্মশালায় জানানো হয়।

খামারিদের উদ্দেশ্যে বলা হয়, শুধু পণ্য বিক্রি নয় বরং পোল্ট্রি খাতের উন্নয়নে খামারিদের সুখ-দুঃখের সাথী হতে বায়োকেয়ার এগ্রো লিমিটেড অঙ্গীকারবদ্ধ। প্রান্তিক পর্যায়ের খামারিদের জন্য কারিগরি সেবা এবং বাস্তবভিত্তিক সমাধান প্রদানের মাধ্যমে পোল্ট্রি শিল্পকে আরও সমৃদ্ধ করতে কোম্পানিটি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এই কর্মশালা উপস্থিত খামারিদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে এবং তারা আধুনিক প্রযুক্তি ও সঠিক সেবার মাধ্যমে পোল্ট্রি শিল্পকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।