এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম:কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক এমপি বলেছেন, দেশে খাদ্য নিরাপত্তায় অনেকগুলো চ্যালেঞ্জ রয়েছে। দেশে ১৭ কোটি মানুষ রয়েছে; আর প্রতি বছর বাড়ছে ২২-২৩ লাখ করে। অন্যদিকে নানা কারণে চাষযোগ্য জমির পরিমাণ কমছে। রয়েছে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবও। এ অবস্থায় দেশের মানুষকে খাওয়ানো, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়া কঠিন চ্যালেঞ্জ। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বিজ্ঞানীরা নিরলসভাবে কাজ করছে। ইতোমধ্যে ফসলের অনেক নতুন জাত ও চাষাবাদের প্রযুক্তি উদ্ভাবিত হয়েছে।  ফলে, ক্রমশ জনসংখ্যা বাড়লেও খাদ্য নিরাপত্তার চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করা সম্ভব হচ্ছে।

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম:দেশের মৎস্য সম্পদের উৎপাদন ব্যাহতকারীদের কোন ছাড় না দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম। বুধবার (০৫ মে) রাজধানীর গুলশানে নৌ পুলিশ সদর দপ্তরে নৌ পুলিশ কর্মকর্তাদের সাথে মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ ও উন্নয়ন সংক্রান্ত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদানকালে মন্ত্রী এ নির্দেশ দেন। নৌ পুলিশ এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করে।

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম:কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক এমপি বলেছেন, সরকারিভাবে ধান-চাল সংগ্রহ কর্মসূচি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গতবছর নানা কারণে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ধান-চাল সংগ্রহ করা সম্ভব হয় নি। তবে গত বছরের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে এ বছর ধান-চালের অত্যন্ত যৌক্তিক দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। যা বাজারের সাথে খুবই সঙ্গতিপূর্ণ।  ফলে, লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী এ বছর ধান-চাল সংগ্রহ করা সম্ভব হবে।

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম:করোনা সংকটে দেশের আপামর জনসাধারণের প্রাণিজ আমিষ নিশ্চিতকরণে কাজ করে যাচ্ছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। এ সময় জনগণের পুষ্টি চাহিদা পূরণ ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য ভোক্তা পর্যায়ে প্রাণিজ আমিষ সরবরাহ অত্যন্ত জরুরি। এটি বিবেচনায় রেখে করোনা পরিস্থিতিতে সরকার ঘোষিত বিধি-নিষেধ চলাকালেও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের উৎপাদন, পরিবহণ, সরবরাহ ও বিপণন অব্যাহত রাখতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় ও আওতাধীন দপ্তরের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারিরা দপ্তরে ও কর্মস্থলে সার্বক্ষণিক উপস্থিত থেকে কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

ডেস্ক:চলমান লকডাউনেও খোলা রয়েছে জরুরি পরিষেবার সাথে সংশ্লিষ্ট কৃষি মন্ত্রণালয় ও এর অধীন দপ্তর/সংস্থাসমূহের অফিস। কৃষি মন্ত্রণালয় সীমিত পরিসরে ও মাঠ পর্যায়ের বিশেষ করে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মাঠ পর্যায়ের অফিসগুলো স্বাস্থ্যবিধি মেনে খোলা রয়েছে।

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম:কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মেসবাহুল ইসলাম বলেছেন, কৃষক পর্যায়ে সেচ সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। সকল পর্যায়ের কৃষক যেন সেচ সুবিধা পায় এবং উৎপাদন বৃদ্ধি করতে পারে এজন্য উপজেলার সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরকে আন্তরিকতার সাথে সহযোগিতা করতে হবে।