এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম:২০১৯-২০ অর্থবছরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তির (এপিএ) চূড়ান্ত মূল্যায়নে কৃষি মন্ত্রণালয় ৫১টি মন্ত্রণালয়/বিভাগের মধ্যে ২য় স্থান অর্জন করেছে। এপিএ বাস্তবায়নে মন্ত্রণালয়ের অর্জিত নম্বর ৯৩.১৩। ৯৫টি কর্মসম্পাদন সূচকের মধ্যে ৭৪টিতে শতভাগ অর্জন করেছে।  উল্লেখ্য যে, কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক এমপির নেতৃত্বে পরপর দুইবছর কৃষি মন্ত্রণালয় এপিএ বাস্তবায়নে ২য় স্থান অর্জন করলো।

রাজধানী প্রতিনিধি:অসহায় ও দুস্থদের মাঝে মানবিক সহযোগিতা কৃষিবিদদের ঐতিহ্যেরই একটি অংশ। অসহায় মানুষদের সাথে কৃষিবিদরা সব সময় ছিল আগামীতেও কৃষিবিদরা সে সেবা অব্যাহত রাখবেন। কেবল সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ না এখন অনেক মধ্যবিত্ত মানুষও তাদের পরিবার পরিজন নিয়ে অসহায়ভাবে দিনাতিপাত করছে। কৃষক-কৃষিবিদ-কৃষি বিজ্ঞানী তথা কৃষির সবাইকে নিয়ে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে স্বপ্নে সোনার বাংলা গড়ে তুলতে হবে।

আবুল বাশার মিরাজ, বাকৃবি প্রতিনিধি:গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হচ্ছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) অধ্যাপক ড. শামসুল আলম। তিনি চুক্তিভিত্তিক পরিকল্পনা কমিশনের সাধারন অর্থনীতি বিভাগের (জিইডি) সদস্য ও সিনিয়র সচিব হিসেবে দীর্ঘ ১২ বছর দায়িত্ব পালন করেন। গত ৩০ জুন তার মেয়াদ শেষ হয়েছে। আগামী রবিবার প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন তিনি। শুক্রবার সকালে তিনি নিজেই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এগ্রিলাইফ২ ডটকম:ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন কোরবানির পশুর হাটে ভেটেরিনারি মেডিকেল টিমের কার্যক্রমসহ অন্যান্য কার্যক্রম তদারকি করবে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। এ জন্য ৯টি মনিটরিং টিম গঠন করে ৯ জন উপসচিব পর্যায়ের কর্মকর্তাকে নির্ধারিত কোরবানির পশুর হাটে দায়িত্ব দিয়েছে মন্ত্রণালয়।

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম:আসন্ন ঈদুল আযহায় কোরবানি নিয়ে কোন ধরনের অব্যবস্থাপনা মেনে নেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি।

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম:কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক এমপি বলেছেন, কৃষি বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রাণ। কৃষির উন্নয়ন হলেই দেশের সার্বিক উন্নয়ন হবে। সেজন্য, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার কৃষিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে ক্রমাগতভাবে কৃষিবান্ধব নীতি গ্রহণ ও তা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। সার, সেচ, বীজসহ কৃষি উপকরণ সহজলভ্য করে কৃষকের দোরগোড়ায় অব্যাহতভাবে পৌঁছে দিচ্ছে। শ্রমিক সংকট নিরসন ও উৎপাদন খরচ কমাতে কৃষকদেরকে দিচ্ছে ৫০-৭০% ভর্তুকিতে কৃষিযন্ত্র। এর ফলে আগামী দিনের কৃষি হবে যান্ত্রিক, আধুনিক ও বাণিজ্যিক। কৃষি হবে সমৃদ্ধ, দুর্বার ও লাভজনক। যার মাধ্যমে কৃষক ও গ্রামীণ মানুষের জীবনমান আরও উনন্নত হবে।