এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম:করোনা সংকটে দেশের জনসাধারণের প্রাণিজ আমিষ নিশ্চিতকরণে কাজ করছে সরকার। এ সময় জনগণের পুষ্টি চাহিদা পূরণ ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য ভোক্তা পর্যায়ে প্রাণিজ আমিষ সরবরাহ অত্যন্ত জরুরি। এটি বিবেচনায় রেখে করোনা পরিস্থিতিতে সরকার ঘোষিত বিধি-নিষেধ চলাকালেও মৎস্য ও প্রাণী, মৎস্য প্রাণিজাত খাদ্য এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সেক্টরে উৎপাদনে ব্যবহৃত সামগ্রী উৎপাদন, পরিবহন, সরবরাহ এবং বিপণন অব্যাহত রাখতে সর্বাত্মক সহযোগিতার নির্দেশনা দিয়েছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম:গতানুগতিক চাকরির ধারা থেকে বের হয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের প্রজাতন্ত্রের সেবক হিসেবে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম। সোমবার (২৮ জুন) বিকেলে রাজধানীর সচিবালয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে মন্ত্রণালয়ের ২০২০-২১ অর্থবছরের জাতীয় শুদ্ধাচার পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ আহ্বান জানান।

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম:মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, “করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখে কোরবানির সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনা করা হবে। স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে যাতে কোরবানি হয় সে জন্য স্থানীয় সরকার ইউনিটসহ প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ও মাঠ প্রশাসন সমন্বিতভাবে কাজ করবে। প্রশাসনকে সহায়তা করার জন্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কাজ করবে। কোন এলাকায় প্রয়োজন হলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োজিত হবে। কোনভাবেই শৃঙ্খলা যাতে ভঙ্গ না হয় সেজন্য যেখানে যা ব্যবস্থা নেওয়া দরকার, সেটা করা হবে।”

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম:মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত আরো ১ লক্ষ ৭৯ হাজার ২১ জন খামারিকে ২য় ধাপে ২১৬ কোটি ৮৬ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা নগদ প্রণোদনা দিয়েছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।  রবিবার (২৭ জুন) বিকেলে রাজধানীর ফার্মগেটে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রণোদনা প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম:এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম:খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি করে খাদ্য নিরাপত্তাকে টেকসই করতে মন্ত্রণালয় ও সংস্থাসমূহের কর্মকর্তা, কর্মচারি ও বিজ্ঞানীসহ সকলকে আহ্বান জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক এমপি।  

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম:বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার ১৪২৪ পেয়েছেন ২৭ ব্যক্তি ও ৫ প্রতিষ্ঠান। প্রতি বছর স্বর্ণ, রৌপ্য, ব্রোঞ্জ এ তিনটি বিভাগে মোট ৩২টি পদক প্রদান করা হয়। এর মধ্যে স্বর্ণপদক ৫টি, রৌপ্যপদক ৯টি ও ব্রোঞ্জপদক ১৮টি। কৃষি গবেষণা, সম্প্রসারণ, সমবায় উদ্বুদ্ধকরণ, প্রযুক্তি উদ্ভাবন, মহিলাদের অবদান, বাণিজ্যিকখামার, বনায়ন, গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগি পালন এবং মাছ চাষ প্রভৃতি ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।