ইসলামিক ডেস্ক:আগামী ২৬ রজব অর্থাৎ ১১ মার্চ দিবাগত রাতে শবে মেরাজ পালিত হবে। প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের এ মিরাজ ছিল জাগ্রত অবস্থায় রূহ ও শরীরের উপস্থিতিতে। আর তা বাস্তবেই প্রমাণিত। প্রত্যেক মুমিন মুসলমানের জন্য মিরাজ সংঘটিত হওয়ার ঘটনায় বিশ্বাস স্থাপন করাও প্রতেক মুমিন মুসলামনের ঈমানী দায়িত্ব। তাই পবিত্র মিরাজের শিক্ষায় আলোকিত হোক আমাদের সবার জীবন। প্রত্যেক মুমিন সঠিক পথের দিশা লাভ করে আল্লাহর অপার অনুগ্রহ ও দ্বিনের অবিচল থাকবে এটাই মিরাজের প্রকৃত শিক্ষা।

ইসলামিক ডেস্ক:মুখের কথার কারণেই অনেক সময় মানুষকে অনেক বড় বিপদে পড়ে যেতে হয়। এ কারণে আমাদের অনর্থক কথাবার্তা কথা-বার্তা থেকে বিরত থাকা প্রয়োজন। ইসলাম সবসময় সেকখাই বলে; রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘কোনো ব্যক্তির ইসলামের অন্যতম সৌন্দর্য হলো অর্থহীন কথা বা কাজ ত্যাগ করা।’ (তিরমিজি, হাদিস : ২৩১৮)

ইসলামিক ডেস্ক:আরবি চান্দ্রবর্ষের সপ্তম মাস হলো রজব।  রজব শব্দের অর্থ সম্মানিত আর রজব হলো আল্লাহতায়ালার বিশেষ অনুগ্রহের মাস। অন্যান্য মাসের মতো রজব মাসের জন্য বিশেষ কিছু নফল আমল রয়েছে, যা আমল করলে আমরা জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্তি লাভ করতে পারি এবং জান্নাত লাভের পথ সুগম হবে। মুমিন মুসলমানের উচিত, রজব মাসের মর্যাদা, ফজিলত ও আমলের প্রতি বিশেষ খেয়াল রাখা। হাদিসের ওপর যথাযথ আমল করা। রমজানের পরিপূর্ণ ইবাদতের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করা।

ইসলামিক ডেস্ক:আগামী ২৬ রজব অর্থাৎ ১১ মার্চ দিবাগত রাতে শবে মেরাজ পালিত হবে। শুক্রবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আলতাফ হোসেন চৌধুরী।

ইসলামিক ডেস্ক:ভালো কাজে বিলম্ব না করে বরং তা কাজ দ্রুততম সময়ে সম্পন্ন করে অন্যদের চেয়ে এগিয়ে যাওয়ার কথা বলে ইসলাম। পবিত্র কোরআনে মহান রাব্বুল আরামিন বলেন, ‘তোমরা ভালো কাজে প্রতিযোগিতা করো।’ (সুরা বাকারা, আয়াত : ১৪৮)। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘তোমরা অগ্রসর হও স্বীয় প্রতিপালকের ক্ষমার দিকে এবং সেই জান্নাতের দিকে, যার বিস্তৃত আসমান ও জমিনের মতো, যা প্রস্তুত রাখা হয়েছে আল্লাহভীরুদের জন্য।’ (সুরা আলে ইমরান, আয়াত : ১৩৩)

ইসলামিক ডেস্ক:ইসলাম সব সময় সকল ধর্ম, বর্ণ-জাতি তথা মানবতার জন্য কথা বলে। মানুষের জন্য ভালো কিছু করা বা তার কল্যাণ করা একটা উন্নত সমাজব্যবস্থার মূল উদ্দেশ্য। ইসলাম কল্যাণের ও কল্যাণ কামনার ধর্ম। আর এই কল্যাণ কামনা মানবসমাজেরও অন্যতম উদ্দেশ্য। এই বিষয়ে কোরআনে মহান আল্লাহ বলেন, ‘এবং পিতা-মাতা, আত্মীয়-স্বজন, এতিম, অভাবগ্রস্ত, নিকট প্রতিবেশী, দূর প্রতিবেশী, সঙ্গী-সাথি, মুসাফিরদের প্রতি সদ্ব্যবহার করবে।’ (সুরা : নিসা, আয়াত : ৩৬)