ইসলামিক ডেস্ক:ভালো কাজে বিলম্ব না করে বরং তা কাজ দ্রুততম সময়ে সম্পন্ন করে অন্যদের চেয়ে এগিয়ে যাওয়ার কথা বলে ইসলাম। পবিত্র কোরআনে মহান রাব্বুল আরামিন বলেন, ‘তোমরা ভালো কাজে প্রতিযোগিতা করো।’ (সুরা বাকারা, আয়াত : ১৪৮)। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘তোমরা অগ্রসর হও স্বীয় প্রতিপালকের ক্ষমার দিকে এবং সেই জান্নাতের দিকে, যার বিস্তৃত আসমান ও জমিনের মতো, যা প্রস্তুত রাখা হয়েছে আল্লাহভীরুদের জন্য।’ (সুরা আলে ইমরান, আয়াত : ১৩৩)

ইসলামিক ডেস্ক:ইসলাম সব সময় সকল ধর্ম, বর্ণ-জাতি তথা মানবতার জন্য কথা বলে। মানুষের জন্য ভালো কিছু করা বা তার কল্যাণ করা একটা উন্নত সমাজব্যবস্থার মূল উদ্দেশ্য। ইসলাম কল্যাণের ও কল্যাণ কামনার ধর্ম। আর এই কল্যাণ কামনা মানবসমাজেরও অন্যতম উদ্দেশ্য। এই বিষয়ে কোরআনে মহান আল্লাহ বলেন, ‘এবং পিতা-মাতা, আত্মীয়-স্বজন, এতিম, অভাবগ্রস্ত, নিকট প্রতিবেশী, দূর প্রতিবেশী, সঙ্গী-সাথি, মুসাফিরদের প্রতি সদ্ব্যবহার করবে।’ (সুরা : নিসা, আয়াত : ৩৬)

ইসলামিক ডেস্ক:রাগ মানুষের মধ্যে শত্রুতা সৃষ্টি করে, সম্পর্ক নষ্ট করে, যা মানুষের ইহকালীন ক্ষতির কারণ হয়। কেউ কেউ রাগের বশবর্তী হয়ে আবার অন্যের ক্ষতি করার চেষ্টা করে বসে, যা মানুষের পরকালকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। কেউ খুব দ্রুত রেগে যায়, আবার দ্রুতই তার রাগ চলে যায়। কেউ আবার দেরিতে রেগে খুব দ্রুত তার রাগ কেটে যায়। কেউ রেগে যায় খুব দ্রুত, কিন্তু তার রাগ সহজে কেটে যায় না; বরং সে বহুদিন পর্যন্ত সেই রাগ পুষে রেখে মানুষের ক্ষতি করার চেষ্টা করে। যারা অল্পতে রেগে যায় এবং সেই রাগ বহুদিন পুষে রাখে, রাসুল (সা.) তাদের নিকৃষ্ট মানুষ বলে আখ্যা দিয়েছেন। (তিরমিজি, হাদিস : ২১৯১)

ইসলামিক ডেস্ক:আল্লাহ যেমন বিশ্ব জগতের স্রষ্টা, তেমন সমস্ত প্রাণিকূলেও স্রষ্টা। আল্লাহ মানুষ ও জিনকে সৃষ্টি করেছেন তার ইবাদতের জন্য। পবিত্র কোরআনে সূরা জারিয়াতের ৫৬ নম্বর আয়াতে মানুষ ও জিন সৃষ্টির উদ্দেশ্য সম্পর্কে আল্লাহপাক ঘোষণা করেছেন, 'আমি সৃষ্টি করেছি জিন এবং মানুষকে এ জন্য যে, তারা আমারই ইবাদত করবে।'

ইসলামিক ডেস্ক:আজ শুক্রবার পহেলা জমাদিউস সানি। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের আকাশে ১৪৪২ হিজরি সনের পবিত্র জমাদিউস সানি মাসের চাঁদ দেখা গেছে । ফলে আজ (১৫ জানুয়ারি) থেকে শুক্রবার থেকে জমাদিউস সানি মাস গণনা শুরু হয়েছে। জমাদিউল আউয়াল মাস ২৯ দিনে শেষ হয়েছে।

ইসলামিক ডেস্ক:শুধু মানুষ নয়, সমগ্র সৃষ্টিজগতের প্রতি রাসূলের ভালোবাসা ছিল সীমাহীন। কারণ তিনি হলেন- রহমাতুল্লিল আ’লামীন। পশু-পাখি প্রকৃতির অন্যতম উপাদান এদের প্রতি ভালোবাসা রাখা এবং অধিকার রক্ষা করা নবীজীর শিক্ষা।