রাজধানী প্রতিনিধি:করোনা দুর্যোগে বিপর্যস্ত পড়েছে সাধারণ জীবনধারা। প্রাণঘাতী এ ভাইরাসের সংক্রমণ জীবনের ওপর যতটা প্রভাব ফেলেছে, তার চেয়ে বেশি নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে নিম্ন আয়ের মানুষগুলোর আর্থিক সঙ্গতিতে। অনেকেরই কাজ নেই, অর্থ নেই, ঘরে খাবার নেই। সমাজের বিত্তবানদের এই মহামারি সময়ে অবশ্যই অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়ানো উচিত।

কৃষিবিদ দীন মোহাম্মদ দীনু,বাকৃবি থেকে:বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে নানা আন্দোলন সংগ্রামে ড. শামসুল আলম সবসময় অসীম সাহস নিয়ে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করে গেছেন। ড. শামসুল আলম তার মেধাকে কাজে লাগিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের মন্ত্রিপরিষদকে আরও শক্তিশালী করে জাতীয় প্রত্যাশা পূরণ করবেন। প্রফেসর ড. শামসুল আলম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ প্রাপ্ত হওয়ায় বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়-এর আয়োজনে অনুষ্ঠিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ড. আব্দুর রাজ্জাক তাকে প্রাণঢালা অভিনন্দন জানিয়ে এসব কথা  বলেন।  

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম:করোনা মহামারির প্রকোপের মধ্যেও কৃষি মন্ত্রণালয়ের ২০২০-২১ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) বাস্তবায়ন হয়েছে ৯৮%। এ অগ্রগতি জাতীয় গড় অগ্রগতির চেয়ে ১৮% বেশি। জাতীয় গড় অগ্রগতি হয়েছে ৮০%। আজ বৃহস্পতিবার সকালে সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এডিপি বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় এ তথ্য তুলে ধরা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক এমপি।

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম:কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও খাদ্য ব্যবস্থার রূপান্তরের জন্য গবেষণা, উদ্ভাবন ও জ্ঞানবিনিময়ের ক্ষেত্রে উন্নয়নশীল দেশসমূহকে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির আহ্বান জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক এমপি। মন্ত্রী মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে অফিস কক্ষ থেকে ভার্চুয়ালি ইটালির রোমে অনুষ্ঠিত ৩দিন ব্যাপী জাতিসংঘের ফুড সিস্টেম প্রিসামিটের ‘খাদ্য ব্যবস্থার রূপান্তরে বিজ্ঞানের সম্ভাবনাকে কাজে লাগানো’ শীর্ষক সেশনে এ আহ্বান জানান।

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম:সার্ক অঞ্চলে প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়ন ও বিকাশে সার্কভুক্ত দেশগুলোকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি।

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম:কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক এমপি বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের সবচেয়ে বেশি বিরূপ প্রভাব পড়বে উন্নয়নশীল দেশের ফুড সিস্টেমে। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় কৃষি ও খাদ্য খাতে আরও বেশি বিনিয়োগ, গবেষণা ও উদ্ভাবন করতে হবে। সেজন্য, আরও শক্তিশালী ও জলবায়ু পরিবর্তনসহনশীল ফুড সিস্টেম গড়তে সদস্য দেশসমূহের সম্মিলিত উদ্যোগ ও অংশীদারিত্ব প্রয়োজন।