এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম:কৃষি যান্ত্রিকীকরণ প্রকল্প বাংলাদেশের কৃষিক্ষেত্রে, কৃষি উন্নয়নে ও খামার যান্ত্রিকীকরণে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত করবে বলে মন্তব্য করেছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক এমপি। তিনি বলেন, ১০-১৫ বছর আগেও বাংলাদেশের কৃষি ছিল সনাতন পদ্ধতির। চাষাবাদ, মাড়াইসহ সব কাজ মানুষকে শারীরিকভাবে করতে হতো। লাঙলে চাষ হতো। এখন যন্ত্রের মাধ্যমে জমি চাষ  ও ফসল মাড়াই হচ্ছে। কিন্তু ধান কাটা ও রোপণ মানুষকে করতে হচ্ছে। এতে ফসল উৎপাদনে খরচ অনেক বেশি ও সময় সাপেক্ষ। সেজন্য বর্তমান সরকার ২০০৯ সাল থেকে গত ১২ বছর ধরে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কৃষি যান্ত্রিকীকরণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। ৩ হাজার ২০ কোটি টাকার ‘কৃষি যান্ত্রিকীকরণ’ প্রকল্পের মাধ্যমে সারাদেশে ৫০% ও হাওর-উপকূলীয় এলাকায় ৭০% ভর্তুকিতে কৃষকদেরকে কৃষি যন্ত্রপাতি সরবরাহ করা হচ্ছে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষিতে নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। কৃষি যান্ত্রিকীকরণে বিপ্লব ঘটবে। বাংলাদেশের কৃষিও পশ্চিমা বিশ্বের শিল্পোন্নত দেশের কৃষির মতো উন্নত ও আধুনিক হবে।

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম:করোনা সংকট মোকাবিলায় জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারদের উদ্দেশ্যে  মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, “কোভিডকালে মাছ মাংস, দুধ ও ডিমের সরবরাহ জরুরী সরবরাহ। এটা কোনভাবে বাধাগ্রস্ত করা যাবে না। এটা বাধাগ্রস্ত হলে উৎপাদক, বিপণনকারী ও ভোক্তারা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। এজন্য মাছ মাংস, দুধ ও ডিম উৎপাদন, আহরণ, পরিবহণ, ও ক্রয়-বিক্রয়ে বাধা দেওয়া যাবে না। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সকলে সহযোগিতা করতে হবে।"

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম:করোনা লকডাউনে মাছ, মাংস, দুধ, ডিম উৎপাদন, পরিবহণ ও বিপণনে কোন ক্ষতি হবে না বলে আশ্বস্ত করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম। এছাড়া করোনায় ও রমজানে মানুষের কাছে মাছ, মাংস, দুধ, ডিম সহজলভ্য করার জন্য ভ্রাম্যমান বিক্রয়ের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান মন্ত্রী।

রাজধানী প্রতিনিধি:প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ডিজি'র দায়িত্বভার গ্রহন করলেন ডা.শেখ আজিজুর রহমান। এর আগে গত ১ এপ্রিল তাকে মহাপরিচালক (সাময়িক দায়িত্ব) দিয়ে এক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। মহামান্য রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রাণিসম্পদ-১ অধিশাখার উপসচিব এ জেড এম নুরুল হক স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বলা হয় পুনরাদেশ দেয়া না পর্যন্ত বিসিএস (লাইভস্টক) ক্যাডারের কর্মকর্তা রাজশাহী বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তরের পরিচালক ডা: শেখ আজিজুর রহমানকে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (সাময়িক দায়িত্ব)-এর দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়।

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম:প্রাণিসম্পদ খাতের টেকসই উন্নয়নে আধুনিক ও বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতি কার্যকর করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম। শনিবার (০৩ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর একটি হোটেলে প্রাণিসম্পদ উৎপাদন উপকরণ ও প্রাণিজাত খাদ্যের মান নিয়ন্ত্রণ গবেষণাগারের কার্যক্রম ও বিধি-বিধান বিষয়ক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা জানান।

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম:মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, “শেখ হাসিনার দূরদর্শী ভূমিকায় এবং বেসরকারি খাত এগিয়ে আসায় দেশে আজ মাছ, মাংস, দুধ, ডিম সহজলভ্য। ভাতে-মাছে বাঙালির দেশে একটা সময় মাছ, মাংস দুর্লভ হয়ে গিয়েছিল। এখন গ্রামে গ্রামে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে উদ্যোক্তা তৈরী হয়েছে। ফলে অর্থনীতির চাকা সবল হয়েছে। পুষ্টি ও আমিষের চাহিদা মিটছে। খাবারের বড় যোগান হচ্ছে। এভাবে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। এজন্য কৃষি ও কৃষককে আমরা অবশ্যই বাঁচিয়ে রাখবো। অমিত সম্ভাবনার বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যেভাবে এগিয়ে চলছে, সে ধারাকে উত্তরোত্তর আমাদের সমৃদ্ধ করতে হবে।”