এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম:গাছপালা আমাদের পরিবেশের রক্ষায় যে অবদান রেখে চলেছে তা বর্ননাতীত। আমাদের পৃথিবী যত সবুজ-শ্যামল হবে,ততই তা বসবাস যোগ্য হয়ে উঠবে। গাছপালার এই অবদানকে সামনে রেখে প্রতিবছর ৫ই জুন পালিত হয় বিশ্ব পরিবেশ দিবস। এই বছরের প্রতিপাদ্য বিষয় ছিলো ইকোসিস্টেম রিস্টোরেশন।

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): বরগুনার আমতলীতে স্থাপিত দেশের একমাত্র সরকারি কৃষি রেডিও পরিদর্শন করলেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের উদ্ভাবন, সেবা সহজিকরণ ও ইনোভেশন টীমের কর্মকর্তারা। এ উপলক্ষে ১৮ জুন বেতারের নির্মাণাথীন ভবনে রেডিওর কর্মকর্তা এবং কলাকুশলীদের সাথে এক মতবিনিময সভার আয়োজন করা হয়।

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম:তুলা চাষে নিয়ে গবেষণাসহ এর সম্প্রসারণে নানা কার্যক্রম পরিচালনা করছে তুলা উন্নয়ন বোর্ড। গতানুগতিক চাষের বাহিরে এসে জমির সর্বোত্তম ব্যবহারের মাধ্যমে তুলা উৎপাদনে চ্যালেঞ্জগুলি মোকাবেলা করে নিবিড়ভাবে কাজ করছে তুলা উন্নয়ন বোর্ড। কিছু দিন আগেও যেখানে তুলা শুধু এককভাবে চাষাবাদ হতো সেখানে বর্তমানে তুলার সাথে সাথী ফসল হিসেবে একাধিক ফসল চাষাবাদ হচ্ছে।

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম:দেশের প্রানিজ আমিষের সিংহভাগ আসে মৎস্য সেক্টর থেকে। দেশের মৎস্য সেক্টরকে সমৃদ্ধ করতে নিরলস ভাবে কাজ করছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। এসব কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ২০২০-২০২১ অর্থবছরে ন্যাশনাল এগ্রিকালচারাল টেকনোলজি প্রোগ্রাম প্রজেক্ট (এনএটিপি-২)-এর আওতায় বিভিন্ন দেশীয় প্রজাতির মাছ নাসিরনগরের গোকর্ণের হুরল বিলে অবমুক্ত করা হয়।এর ফলে বিলে যেমন দেশীয় মাছের পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে ঠিক তেমনি মৎস্য সেক্টরর সাথে সম্পৃক্ত মাছচাষী এবং জেলেসহ অনেকেই আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হয়ে উঠবেন।

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম:ঝিনাইদহ শাকসবজি ফলমূল আবাদের একটি তীর্থস্থান। কৃষিজমির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে বসতবাড়ির আঙিনাসহ পতিত জমিতে অতি সহজেই উদ্যোক্তারা গড়ে তুলতে পারেন পারিবারিক সবজি-পুষ্টি বাগান। ঝিনাইদহ জেলায় ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে পারিবারিক সবজি-পুষ্টি বাগান। একটি আদর্শ বাগান গড়ে তুলতে যেমন আগ্রহী হতে হয় ঠিক তেমনি বাগান করার প্রয়োজনীয় উপকরণ পেতে হয় হাতের নাগালে। কৃষি উপকরণের সহজলভ্যতা সবজি-পুষ্টি বাগান করতে উৎসাহিত করে কৃষকদের। আর আগ্রহীদের সহায়তায় হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ, উপকরণ বিতরনসহ নানা কারিগরী সেবা দিয়ে কৃষকদের সমৃদ্ধ করছে ঝিনাইদহ কৃষি বিভাগ।

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল):প্রধান ৪টি বিষয়ের ওপর ফসলের উৎপাদন নির্ভর করে। আবহাওয়া, পানি, বীজ এবং সার। পানি না হলে ফসলের যেমন সমস্যা। তেমনি অতিরিক্ত হলেও অসুবিধা। তাই ফসল রক্ষায় পানি সেচ এবং নিষ্কাশন জরুরি। আর এ জন্য প্রয়োজন সুষ্ঠু পানি ব্যবস্থপনা। বন্যা এবং  লবণাক্ততা দক্ষিণাঞ্চলের বড় সমস্যা। এ থেকে উত্তরণের জন্য ফসলের উপযোগি জাত ব্যবহার করা দরকার। লবণাক্ততার কারণে যেসব জায়গায় ধান আবাদ করা সম্ভব নয়, সেসব স্থানে অন্য ফসলের উপয়োগী জাত ব্যবহার করতে হবে। এক ইঞ্চি জমিও খালি রাখা যাবে না ।