ইসলামিক ডেস্ক:সৃষ্টি জগতের সব কিছুর সৃষ্টিকর্তা মহান আল্লাহ। মানুষ আল্লাহর সৃষ্টি। কোনো মানুষের সঙ্গে যখন সদয় ব্যবহার করা হয়, তার বিপদে সাহায্য করা হয়, তখন আল্লাহকেই খুশি করা হয়। সমাজের আশ্রয়হীন, দুর্বল ও অসহায় লোকজনের সাহায্য-সহযোগিতা ইবাদতেরই অন্তর্ভুক্ত।

ইসলামিক ডেস্ক:মুমিন মুসলমানদের উচিত সময় পেলেই কোরআন শুদ্ধ ও সঠিকভাবে তিলাওয়াত করা। পাশাপশি এর অর্থ জানা ও বোঝার চেষ্টা করা। বিশেষ করে নিজেদের দৈনন্দিন জীবনের করণীয়-বর্জনীয় কাজ সম্পর্কে কোরআনের নির্দেশনা জানা এবং  তদনুসারে আমল করা। এটা কোরআনের প্রতি মুসলিমদের দায়িত্ব ও কর্তব্যও বটে।

ইসলামিক ডেস্ক: আজ মঙ্গলবার (১৭ নভেম্বর) থেকে ১৪৪২ হিজরি সনের পবিত্র রবিউস সানি মাস গণনা শুরু হয়েছে। এ হিসেবে ২৭ নভেম্বর শুক্রবার পবিত্র ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম পালিত হবে। সোমবার (১৬ নভেম্বর) সন্ধ্যায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আলতাফ হোসেন চৌধুরী।

ইসলামিক ডেস্ক:‘ভালো কাজের আদেশ কর, আর খারাপ কাজে নিষেধ কর।’ কোরআনের অসংখ্য আয়াতে এবং রসুল (সা.)-এর অসংখ্য হাদিসে বলা হয়েছে মুমিনের অন্যতম কাজ এ দুটি। একজন মুসলমান আজান হলে যেমন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের জন্য ছুটে যায় তেমনি কোনো অন্যায় দেখলেই সে তার প্রতিবাদ করবে, প্রতিরোধ করবে এবং ভালো কাজের প্রতি মানুষকে নানাভাবে উৎসাহ দেবে। কিন্তু বর্তমানে সমাজে মুসলমানদের মধ্যে ভালো কাজের আদেশ, অসৎ কাজের নিষেধ করতে দেখা যায় খুবই কম। ফলে অন্যায় এবং দুষ্কৃতকারী যারা তারা ভালো মানুষের বেশে আমাদের সমাজে দাপিয়ে বেড়ায়।

ইসলামিক ডেস্ক: প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) তার জীবন ও আদর্শের মাধ্যমে আমাদের সে মোতাবেক জীবনযাপনের শিক্ষা দিয়েছেন। এমনি একটি শিক্ষা হলো সালাম ও কুশলাদি বিনিময়। তিনি কারো সঙ্গে সাক্ষাৎ হলে রাসুল (সা.) প্রথমে সালাম প্রদান করতেন। অতপর তিনি কথা বলতেন। এ প্রসঙ্গে হাদিসে হজরত জাবের ইবনে আবদুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘আগে সালাম পরে কথা। ’ (সুনানে তিরমিজি, হাদিস: ২৮৪২)

ইসলামিক ডেস্ক:এ পৃথিবী তখন পাপের অন্ধকারে ভরে গিয়েছিল। মানবতা বিদূরিত হয়ে গোটা বিশ্ব যেন জাহেলিয়ার ছোঁয়ায় আচ্ছন্ন ছিল। ঠিক সেই সময়ের কোনো ৫৭০ মতান্তরে ৫৭১ খ্রিষ্টাব্দের রবিউল আউয়াল মাসের ১২ তারিখে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন তাঁর সৃষ্টির ওপর দয়া করে নবী মুহাম্মদ (সা.)-কে দুনিয়ার বুকে রহমত হিসেবে প্রেরণ করেন। তাঁর আগমন বিশ্ববাসীর জন্য রহমত। মুমিন, কাফির, জিন-ইনসান সবার জন্য তিনি রহমত। তাই ইসলামের ইতিহাসে রবিউল আউয়াল হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ মাস।