কৃষিবিদ ড. মো. হুমায়ুন কবীর:কৃষি বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রিধারী ব্যক্তিকে কৃষিবিদ বলা হয়। কৃষিবিদদের জন্য জাতীয়ভাবে আমাদের দেশে একটি আলাদা দিবসের প্রচলন হওয়াতে আমরা কৃষিবিদরা গর্বিত। যতই দিন যাচ্ছে ততই বাংলাদেশের কৃষিখাত গুরুত্ব পাচ্ছে। আর কৃষিখাত গুরুত্ব পাওয়া মানেই কৃষিবিদদের জন্য গৌরবের। কারণ আজ বাংলাদেশের কৃষিক্ষেত্রে যে প্রভূত‚ত উন্নতি সাধিত হয়েছে তার পুরোটার কৃতিত্বই কৃষিবিদদের। কৃষিবিদ একটি মহান পেশা। এ পেশায় বাংলাদেশের মাটির গন্ধ মিশে রয়েছে। এ পেশা দেশের কৃষিকে পরিচালিত করছে। করছে দেশের কৃষককুলকে। দেশের খাদ্য উৎপাদনে অনন্য উদাহরণ সৃষ্টি করে চলেছে। কেউ গবেষণায়, কেউ সম্প্রসারণে, কেউ প্রশিক্ষণে, কেউ শিক্ষায় ব্যাপক অবদান রেখে চলেছেন।

প্রফেসর ড. মো. আজহারুল ইসলাম:বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করার পাশাপাশি শুরু করেন যুদ্ধ বিধ্বস্ত বাংলাদেশ গড়ার কাজ। দেশ পুনর্গঠনে দূরদর্শিতার পরিচয় দেন তিনি, যার মধ্যে প্রকৃতি ও পরিবেশ সংরক্ষণ উল্লেখযোগ্য। দীর্ঘ নয় মাসের যুদ্ধে বৃক্ষসম্পদের যে ক্ষতি হয়েছিল তা থেকে উত্তরণের দেশজুড়ে বঙ্গবন্ধু শুরু করেন বৃক্ষরোপণ অভিযান। গাছ লাগাতে উদ্বুদ্ধ করেন জনগণকে। এজন্য গণভবন এবং বঙ্গভবনসহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে রোপণের উদ্যোগ নেন।

ডাঃ শাহজাহান সিরাজ,DVM:পোল্ট্রি  শব্দটি বহুল প্রচলিত একটি শব্দ, যার মাধ্যমে সাধারণত আমরা মুরগিকে বুঝি। অথচ পোল্ট্রি বিজ্ঞানে পোল্ট্রি বলতে শুধু মুরগিকে বুঝানো হয় না, বরং যে সমস্ত পাখিকে মানুষের অধীনে বাণিজ্যিকভাবে লালন-পালন ও প্রজনন করানো যায় তাদের সবাইকে একত্রে পোল্ট্রি বলা হয়। ১১ প্রকার পাখিকে পোল্ট্রির অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যেমন হাঁস, মুরগি, টার্কি, কবুতর, তিতির, রাজহাঁস, কোয়েল ইত্যাদি।

খসরু মোহাম্মদ সালাহ্উদ্দিন, সিকৃবিঃপৃথিবীতে মৎস্য উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান পঞ্চম হলেও কার্যকরী ভ্যাক্সিনের অভাবে প্রতিবছর বিভিন্ন রোগে প্রচুর পরিমাণ মাছে মড়ক দেখা দেয়। ফলে মৎস্য উৎপাদন কমার পাশাপাশি মৎস্য চাষীরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়। মাছের মড়ক থেকে রেহাই পেতে প্রথমবারের মতো বানিজ্যিক ভিত্তিতে ব্যবহার উপযোগী মাছের ভ্যাক্সিন উদ্ভাবন করেছেন সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাৎস বিজ্ঞান অনুষদের মৎস্য স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহযোগী প্রফেসর ড. মোঃ আবদুল্লাহ আল মামুন।

*ড. মো. শাহজাহান কবীর, **ড. মো. আবদুল কাদের, ***কৃষিবিদ এম আব্দুল মোমিন:ধান বাংলাদেশের প্রধান খাদ্যশস্য। সৃষ্টির আদিকাল থেকেই ধানের আবাদ ও উৎপাদন প্রক্রিয়া এ দেশের জনগণের জীবনযাত্রা ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ১৯৭০ সালের ১ অক্টোবর ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠিত হলেও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৩ সালে আইন পাশের (Act. No X of 1973) মাধ্যমে ব্রিকে জাতীয়করণ ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেন-শুরু হয় ধানের উপর নিয়মতান্ত্রিক গবেষণা। পাশাপাশি তিনি দেশের খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধিতে সবুজ বিপ্লবের ডাক দেন। তার ডাকে সাড়া দিয়ে ব্রির বিজ্ঞানীরা উদ্ভাবন করেন বিআর৩ বা বিপ্লব, যা দেশের খাদ্য উৎপাদনে একটি সত্যিকারের বিপ্লব নিয়ে আসে।

Nutrex | We add value to your feed
Geert Van de Mierop, Managing Director, Nutrex

Nutrex history
The Nutrex Group was founded in 1988 by Mr Leo Van de Mierop and has since grown to become a leading supplier of innovative, top quality feed additives, headquartered in Belgium and with production facilities, offices and warehouses in Belgium, the Netherlands and Poland. Over the past 32 years, the group has gradually internationally expanded its activities and today Nutrex is active in over 60 countries worldwide through a strong network of distributors supported by their own team of technical sales experts.