এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম:হাওরে বোরো ধানের ঝুঁকি কমাতে স্বল্পজীবনকালীন আগামজাতের ধান চাষ, টেকসই বাঁধ নির্মাণ ও সময়মতো সংস্কারে আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় বৃদ্ধি এবং ধান পাকার পর তা দ্রুত কাটার জন্য হাওরে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পর্যাপ্ত ধান কাটার মেশিন কম্বাইন হারভেস্টার ও রিপার প্রদানে গুরুত্ব দিয়ে কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক।

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম:কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, বিএনপি, স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি ও কিছু বুদ্ধিজীবী দেখতে চায় দেশে খাদ্য নিয়ে হাহাকার হোক, দুর্ভিক্ষ হোক। তারা মনে করে-দেশে দুর্ভিক্ষ হবে, রাস্তাঘাটে মানুষ না খেয়ে মরে পড়ে থাকবে; আর তা নিয়ে আন্দোলন করে শেখ হাসিনার সরকারের পতন ঘটাবে। তাদের উদ্দেশে বলতে চাই, শকুনের দোয়ায় গরু মরে না। কারণ, আমাদের সকল ধরণের প্রস্তুতি ও কর্মসূচি রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খাদ্য নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে করোনাকালেও দেশে খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি করেছেন। রেকর্ড পরিমাণ খাদ্য মজুত রয়েছে। তাছাড়া, প্রধানমন্ত্রী খাদ্য সহযোগিতা নিয়ে মানুষের পাশে আছেন। কাজেই, শেখ হাসিনা যতদিন ক্ষমতায় থাকবে, ততদিন  দেশে কখনও খাদ্য সংকট হবে না, কোন দুর্ভিক্ষও হবে না।  

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম:কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, বাংলা নববর্ষ অসাম্প্রদায়িকতা ও বাঙালি জাতীয়তাবাদের পরিচায়ক। এ দিনটিতে সে চেতনাকে আরও শাণিত করতে হবে। আমরা চাই, বাংলাদেশ বিশ্বের বুকে আরও মাথা উঁচু করে চলুক। সেজন্য, অসাম্প্রদায়িকতা ও ভ্রাতৃত্ববোধকে আরো শাণিত করে বাংলাদেশের সম্মান ও মর্যাদাকে আরও উন্নীত করতে হবে।

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম:মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, কৃষির উৎপাদন এমন পর্যায়ে নিতে হবে যাতে বিদেশ নির্ভর হতে না হয়। করোনা পরিস্থিতিতে বিশ্বের অনেক জায়গায় খাদ্যাভাব দেখা দিচ্ছে। কিন্তু আমরা বাংলাদেশে কোনভাবেই খাদ্যাভাব হতে দেব না। এ জন্য দেশের অভ্যন্তরে পর্যাপ্ত খাদ্য উৎপাদন করতে হবে। উৎপাদিত খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে প্রয়োজনে বিদেশে রপ্তানির বিষয়টিও আমাদের মাথায় রাখতে হবে।

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম:এবছর দেশে সারের ভর্তুকিতে ব্যয় হচ্ছে ৩০ হাজার কোটি টাকা এবং ইতোমধ্যে প্রায় ২৭ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি প্রদান করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক এমপি।

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম:ভোলার লবণাক্ত জমিতে চাষ হচ্ছে ব্রি ধান ৬৭, বিনা ধান ১০। ভু্ট্রা, মুগ, সয়াবিন, সূর্যমুখী, শশার আবাদ দিন দিন বাড়ছে। এছাড়া, পেঁয়াজ, বার্লি, পুঁইশাকসহ বিভিন্ন সবজি ফসল চাষ খুবই সম্ভাবনাময়। সরকারের প্রণোদনা পুনর্বাসন র্কাযক্রমের ফলে এসবের আবাদ দিন দিন বাড়ছে।