নিজস্ব প্রতিবেদক:বিশ্ব মানচিত্রে বাংলাদেশ একটি অতি ক্ষুদ্র দেশ কিন্তু আয়তনের তুলনায় জনসংখ্যা অনেক বেশি। দিনে দিনে আমাদের জনসংখ্যা বেড়েই চলেছে কিন্তু কমে যাচ্ছে আবাদি জমির পরিমাণ। এমতাবস্থায় খাদ্য নিরাপত্তা আমাদের দেশের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। বিপুল জনসংখ্যার খাদ্যের চাহিদা মেটাতে প্রয়োজন ফলনবর্ধক পন্য। আর সে কাজটি নিখুঁতভাবে করে চলেছে ফ্লোরা। পরিবেশকে অক্ষুণ্ণ রেখে ফসল উৎপাদনে যেটি আজ সকল পর্যায়ের কৃষকদের নিকট বহুল সমাদৃত। কৃষি ও কৃষককে সমৃদ্ধ করাই এসিআই-এর মূল লক্ষ। ফ্লোরার মাধ্যমে সবসময় কৃষকের মুখে হাসি দেখতে চায় এসিআই।

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম:পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক বলেছেন; বহু নদ-নদী বেষ্টিত বাংলাদেশের একটি বড় অংশ চরাঞ্চল। নদীগুলি পলি জমা হয়ে নতুন জমি তৈরি করে যাকে চর বলে থাকি। চরে বসবাসরত অধিকাংশ দরিদ্র শ্রেণীর, ছিল মৌলিক চাহিদা বঞ্চিত। বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০৪১ সালের উন্নত বাংলাদেশ বির্নিমানে চরাঞ্চলের মানুষের জীবনমানের উন্নয়নের জন্য টেকসই প্রকল্প হাতে নিয়েছে। উপকূলীয় চরাঞ্চলে বসবাসরত জনগণের ক্ষুধা ও দারিদ্র্য হ্রাসের লক্ষ্যে প্রকল্প নেয়া হয়েছে। চরে রয়েছে বিপুল জনগোষ্ঠী ও বিস্তীর্ণ উর্বর ভূমি। চর আমাদের কৃষি তথা অর্থনীতির অপার সম্ভাবনাময়। ভূমিহীন জনগোষ্ঠীর ঠিকানা। নেদারল্যান্ড সরকার ও ইফাদ এর আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় এই প্রকল্পের কাজ এগিয়ে চলছে।

Special Correspondent:  ENTEROSURE opens new horizons in the global poultry industry with its launched in Dhaka. On this occasion,Kemin Industries, a world renowned US-based animal nutrition company, organized an event at a five star hotel in Dhaka, the capital of Bangladesh.

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম:দেশের সামুদ্রিক জলসীমায় ৬৫দিন (২০ মে-২৩ জুলাই) মাছ ধরা নিষিদ্ধকালে মৎস্য আহরণে বিরত থাকা জেলেদের জন্য ২০২১-২২ অর্থবছরে সরকারের মানবিক খাদ্য সহায়তা কর্মসূচির আওতায় ১৬ হাজার ৭৫১ দশমিক ৫৬ মেট্রিক টন ভিজিএফ চাল বরাদ্দ করা হয়েছে। উপকূলীয় ১৪ জেলার ৬৭ উপজেলা ও চট্টগ্রাম মহানগরীর ২ লক্ষ ৯৯ হাজার ১৩৫ টি জেলে পরিবারের জন্য এ বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে। এর আওতায় নিবন্ধিত প্রতিটি জেলে পরিবারকে ১ম ধাপে প্রতি মাসে ৪০ কেজি করে ৪২ দিনে (২০ মে-৩০ জুন) মোট ৫৬ কেজি চাল প্রদান করা হবে।

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম:কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, খাদ্য নিরাপত্তাকে টেকসই ও আরও মজবুত করতে হলে চরাঞ্চল, উপকূলীয় লবণাক্ত এলাকা, পাহাড়ি প্রতিকূল এলাকার জমিকে চাষের আওতায় আনতে হবে। কোন জমি অনাবাদি রাখা যাবে না। পতিত জমি চাষের আওতায় আনতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে। পতিত জমিতে যারা চাষ করবে তাদেরকে সকল ধরনের সহযোগিতা প্রদান করা হবে।

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম:স্বাধীনতাবিরোধী ও দেশবিরোধী সকল অপশক্তির বিরুদ্ধে বাম দল, কৃষক শ্রমিকসহ সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক। তিনি বলেন, দেশের অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করতে স্বাধীনতাবিরোধী, ধর্মান্ধ ও দেশের উন্নয়নবিরোধী অপশক্তিরা এখনও খুবই তৎপর ও নানান পাঁয়তারা চালাচ্ছে। তারা দেশকে পিছনের দিকে নিয়ে যেতে চায়। এ দেশটাকে স্বাধীন করার জন্য ১৪ দল, ওয়ার্কাস পার্টি, কমিউনিস্ট পার্টিসহ বিভিন্ন বাম রাজনৈতিক দল আমরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে মুক্তিযুদ্ধ করেছি। এখন স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি ক্ষমতায় আছে বলেই আমরা সারা বিশ্বে দেশটাকে মর্যাদা ও সম্মানে অনন্য উচ্চতায় তুলে ধরতে পেরেছি। কাজেই, অপশক্তির বিরুদ্ধে দেশের বাম দল, কৃষক শ্রমিকসহ সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।