আবুল বাশার মিরাজ, বাকৃবি প্রতিনিধি:বাংলাদেশে চাষকৃত মাছের মধ্যে পাঙাশ মাছ অন্যতম। পাঙাশ মাছ প্রোটিনের চাহিদা পূরণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রেখে চলেছে। বর্তমানে চাহিদার তুলনায় পাঙাশ মাছের সরবরাহ বেশি। ফলে পাঙাশ মাছের দাম কমে যাওয়ায় মাছ চাষীরা আর্থিকভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। কিন্তু গন্ধের কারণে পাঙাশ মাছ অনেকের কাছেই অপছন্দেও বিষয়। এছাড়াও সঠিক সময়ে সরবরাহ ও সংরক্ষণের অভাবে নষ্ট হয়ে হাজার হাজার টন পাঙাশ মাছ। যার কারণে ক্ষতির সম্মুখীন হন মাছ চাষীরা।

আবুল বাশার মিরাজ, বাকৃবি প্রতিনিধি:ছত্রাকজনিত অলটারনারিয়া ব্লাইট রোগ প্রতিরোধী এবং উচ্চফলনশীল পাঁচটি সরিষার জাত উদ্ভাবনে সফলতা পেয়েছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) গবেষক অধ্যাপক ড. আরিফ হাসান খান রবিন ও তাঁর দল। দীর্ঘ পাঁচ বছরের গবেষণায় এ সাফল্য পেয়েছেন তারা। উদ্ভাবিত সরিষার জাতগুলো হলো বাউ সরিষা-৪, বাউ সরিষা-৫, বাউ সরিষা-৬, বাউ সরিষা-৭ এবং বাউ সরিষা-৮। জাতগুলোর গড় ফলন হেক্টর প্রতি ২ দশমিক ৫ টন যা দেশে প্রচলিত অন্যান্য জাতের তুলনায় ৫০ থেকে ৮০ শতাংশ বেশি। জাতগুলো সারাদেশে চাষের উপযোগী এবং এদের জীবনকাল ৯০ থেকে ৯৫ দিন। কৃষকরা এ জাতগুলো চাষ করে প্রচলিত জাতের তুলনায় প্রায় দেড় থেকে দুই গুন লভ্যাংশ আয় করতে পারবে।

দেশের মধ্যভাগ ও পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগে বড় বাধা ছিল পদ্মা পারাপার। যানবাহন পারাপারের একমাত্র মাধ্যম ছিল ফেরি। মানুষ পারাপারের মাধ্যম লঞ্চ, ট্রলার, স্পিডবোট অথবা নৌকা। বর্ষায় পদ্মা যখন ভয়ংকর রূপ নেয়, তখন ছোট নৌযানে নদীটি পাড়ি দেওয়া অনেকটা প্রাণ হাতে নেওয়ার মতো। তাইতো আবদুল লতিফের লেখা ও সুর করা এবং আবদুল আলীম এর গাওয়া 'সর্বনাশা পদ্মা নদী, তোর কাছে শুধাই –– কূল কিনারা নাই...' পল্লীগীতীতে ফুটে উঠেছে প্রমত্ত পদ্মা নদীর বিশালত্ব ও ভয়ংকর রূপ।

ড. জগৎ চাঁদ মালাকার:পদ্মা বহুমুখী সেতু হল গঙ্গার প্রধান শাখা পদ্মা নদীর উপর নির্মিত একটি বহুমুখী সড়ক-রেল সেতু যা বাংলাদেশের নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়িত হয়। সেতুটি মুন্সীগঞ্জকে শরীয়তপুর এবং মাদারীপুরের সাথে সংযুক্ত করে, এবং দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলকে উত্তর ও পূর্বাঞ্চলের সাথে সংযুক্ত করে। পদ্মা বহুমুখী সেতু বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং নির্মাণ প্রকল্প সমূহের মধ্যে অন্যতম হিসেবে বিবেচিত। যে কোনো দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে যোগাযোগ ব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যোগাযোগ ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করে একটি দেশের উন্নয়ন কর্মকান্ড আবর্তিত হয়।

Professor. Dr. A.K.M. Zakir Hossain:The dream of a bridge across the river Padma is no longer a dream. The six and a half kilometer long bridge over the river Padma is now fully visible. Counting the days is waiting for the inauguration on 25th June 2022. Those who said that there will be no bridge across the Padma, let them see today that Bengalis can.

ড. মো: আনোয়ার হোসেন:উদ্বোধনের অপেক্ষায় পদ্মা সেতু। আনন্দে ভাসছে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১টি জেলা তথা বাংলাদেশের মানুষ। স্বপ্নের পদ্মা সেতু এখন বাস্তবে দৃষ্টিসীমায় দিগন্তজুড়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে। দাঁড়িয়ে রয়েছে যেন বাংলাদেশের স্বপ্ন। পদ্মা সেতু খুলে দেয়ার সাথে সাথে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সাথে গোটা বাংলাদেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা যেমন সহজ হবে, তেমনি কমবে সময়ের দূরত্ব। গড়ে উঠবে নতুন নতুন শিল্প ও কল-কারখানা। বৃদ্ধি পাবে কৃষির নিবিরতা। সুফল পাওয়া যাবে পর্যটন খাতেও। দক্ষিণাঞ্চলে শিল্পায়ন তথা জাতীয় অর্থনীতিতে নতুন দুয়ার খুলে যাবে। পদ্মা নদীর ওপর দন্ডায়মান পদ্মা সেতু এখন হাতছানি দিচ্ছে কৃষিতে নতুন বিপ্লবের। সৃষ্টি হবে অসংখ্য মানুষের নতুন নতুন কর্মসংস্থান। বিকশিত হবে বিভিন্ন ধরনের ব্যবসা-বাণিজ্য। ২১টি জেলার মানুষের ভাগ্য বদলে নতুন দিগন্ত উম্মোচন করবে এই পদ্মা সেতু।