কৃষিবিদ দীন মোহাম্মদ দীনু:ইমেজ প্রসেসিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে স্বল্পসময়ে ও কম খরচে মাটির স্বাস্থ্য নিরীক্ষণ করা সম্ভব। মেশিন ভিশন সিস্টেম ফর প্রিসিসন ফার্টিলাইজার ম্যানেজমেন্ট ইন এগ্রিকালচার" শীর্ষক প্রকল্পে সারের যথাযথ ব্যবহার বিষয়ক কর্মশালায় মুল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে কৃষি শক্তি ও যন্ত্র বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক  ও প্রকল্পের প্রধান গবেষক ড. মো. হামিদুল ইসলাম এসব কথা জানান।

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম:কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সরেজমিন উইং-এর সাবেক পরিচালক কৃষিবিদ মোঃ আব্দুল হান্নান আর নেই। ডায়াবেটিস ও কিডনি জনিত জটিলতায় ভুগে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে ২৯ জুন রোজ মঙ্গলবার রাত ৭.৪০ মিনিটে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬১ বৎসর। তিনি বিসিএস (কৃষি) ক্যাডারের ১৯৮৩ ব্যাচের একজন সৎ, সুদক্ষ ও সজ্জন কর্মকর্তা হিসেবে সকলের নিকট আস্থাভাজন ছিলেন।

কৃষিবিদ দীন মোহাম্মদ দীনু:ব্যাক্টেরিয়ার নাম শুনলেই মানুষ আগে ভয় পেতো, এখন আর ভয় নয়, বন্ধু হিসেবে বেসিলাস ব্যাক্টেরিয়াকে গ্রহণ করা যাবে, আর মানুষের সাথে যার মিল সবচেয়ে বেশি। মিলের সাদৃশ্যকে বিবেচনায় এনে প্রকৃতি হতে শতকরা ৭৬ ভাগ উপকারি ব্যাক্টেরিয়া সংগ্রহ করা যাবে উদ্ভাবনীয় প্রযুক্তির মাধ্যমে। এ ব্যাক্টেরিয়ার ব্যবহার বেগুনের ঢলে পড়া রোগ নিয়ন্ত্রনে ব্যাপক সাফল্য এসেছে। ব্যাক্টেরিয়ার ব্যবহার ও প্রয়োগোত্তর ফলাফল নিয়ে এক ব্যতিক্রম ধরনের জাতীয় সেমিনারেএমনটিই জানালেন প্রধান গবেষক ড. মুহাম্মদ তোফাজ্জল হোসেন।

আবুল বাশার মিরাজ, বাকৃবি প্রতিনিধি:ম্যাগনেশিয়াম অ্যালুমিনিয়াম ফসফেস (ষ্ট্রুভাইট) ক্রিস্টাল সংযোজন করে পোল্ট্রির বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে গুণগতমান সম্পন্ন জৈব সার উৎপাদনের পাশাপাশি পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার পাশাপাশি মানসম্পন্ন জৈব সার ব্যবহারে কৃষকরা আর্থিকভাবে লাভবান হবেন।

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে করণীয় শীর্ষক সেমিনার আজ বরিশালের বারটানের হলরুমে অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ ফলিত পুষ্টি গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (বারটান) আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) অতিরিক্ত পরিচালক মো. তাওফিকুল আলম।

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম:ভেড়ার মাংস সার্বিক গুণ বিচারে কোন অংশেই ছাগল ও গরুর মাংসের চেয়ে কম নয় বরং এতে কলেস্টেরল ও চর্বি কম থাকায় এবং প্রয়োজনীয় প্রায় সকল পুষ্টি উপাদান বেশী থাকায় সুস্বাস্থের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। সঠিক তথ্য জানা না থাকা এবং বিরুপ প্রচারের কারনে ভেড়ার মাংসকে সাধারণত ছাগলের মাংস বলে বিক্রয় করা হয়। এছাড়া সঠিক ও আধুনিক পদ্ধতিতে ভেড়া পালনের উপর তেমন কোন ভালো বই বা ম্যানুয়েল না থাকায় ভেড়া পালন কার্যত জনপ্রিয় হয়ে উঠেনি।