বিজনেস প্রতিনিধি:সেরা মানের ইস্ট ও ব্যাকটেরিয়ার উৎপাদনের ক্ষেত্রে লালিম্যান্ড বিশ্বের সেরা একটি কোম্পানি। Lallemand-এর ব্যবসার মূল ভিত্তি হলো গুণগতমানের ইস্ট ও ব্যাকটেরিয়া উৎপাদন। এই ইস্ট ও ব্যাকটেরিয়াকে কেন্দ্র করে Lallemand-এর ১৩ টি  বিভাগের সৃষ্টি হয়েছে যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য একটি হল এনিমেল নিউট্রিশন। বাংলাদেশে কোম্পানিটির এ বিভাগটির কান্ট্রি ম্যানেজার হিসেবে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করছেন জনাব খুরশিদ আনোয়ার।

ড. মো. আনোয়ার হোসেন:ভাষা সম্পর্কে পরিপূর্ণ এবং অবিতর্কিত সংজ্ঞা দেয়া কঠিন। তবে ভাষা মানুষের মস্তিস্কাদ্ভাবিত একটি বিশেষ ক্ষমতা যা অর্থবোধক বাকসংকেতে রূপায়িত হয়ে মানুষের মনের ভাব প্রকাশ করতে এবং বিভিন্ন মানুষের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপনে সহায়তা করে। মানব সৃষ্টির শুরু থেকে সভ্যতার ক্রমবিকাশের সাথে সাথে ভাষারও বিবর্তন ঘটেছে স্বতঃস্ফূর্তভাবে। এরই সঙ্গে জন্ম হয়েছে হরেক রকম ভাষার। সেখানে নিয়ামক হিসেবে কাজ করেছে সময়, অবস্থান, ভৌগোলিক প্রেক্ষাপটের মতো বহু গুরুত্বপূর্ণ কিছু নির্ধারক।

কৃষিবিদ ড. তাজুল ইসলাম চৌধুরী তুহিন:কৃষিই কৃষ্টি। কৃষিই সমৃদ্ধি। কৃষিকে ঘিরেই সভ্যতার জাগরণ শুরু। মানুষের জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত কৃষির কোন বিকল্প নেই। কৃষি পৃথিবীর মূূল চালিকা শক্তি। খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা, শিক্ষা ও বিনোদনের অধিকাংশ উপাদান আসে কৃষি থেকে। খাদ্যের একমাত্র উৎস কৃষি। আর কৃষিকে বাঁচিয়ে রেখেছে কৃষক ও কৃষিবিদরা।

ড. মো. আনোয়ার হোসেন:আজ ১৩ ফেব্রুয়ারি । কৃষিবিদ দিবস। কৃষিপ্রধান বাংলাদেশের কৃষিই আমাদের অর্থনীতির মূল ভিত্তি। কৃষিকে ঘিরেই এদেশের অর্থনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়। সকল ক্ষেত্রেই কৃষির প্রভাব দৃশ্যমান । স্বাধীনতা পরবর্তী প্রত্যেকটি সবকার প্রধানের দায়িত্ব ছিল কৃষিতে উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন। দেশে এখন ভাতের অভাব নেই। এটি আমাদের জাতীয় জীবনের একটি অসামান্য অর্জন। এ অর্জনের নেপথ্যে সংশ্লিষ্ট সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টার সঙ্গে বর্তমান সরকারের কৃষিবান্ধব নীতি সহায়তা, বিজ্ঞানী ও সম্প্রসারণ কর্মীদের তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

কামরুল হাসান কামু:যে ব্রত নিয়ে ১৯৪৭ সালে দেশভাগ হয়েছিলো,দীর্ঘসময়ে তার কোন প্রতিফলন ঘটেনি বরং পূর্বপাকিস্তানের মানুষদের ওপর পশ্চিমাদের শোষন-পেষণের চিত্রপট ছিলো ভয়ানক।পশ্চিমা শাসকগোষ্ঠীর নীলথাবায় সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছে পূর্ববাংলার কৃষকশ্রেণী। সোনারমতো খাঁটি,উর্বরা ভূমি ছিলো অথচ এদেশের মানুষ দুইবেলা পেটভরে খেতে পারতোনা। প্রকৃতি নির্ভর কৃষিব্যবস্থা বিরাজমান ছিল। আদতে খরা,বন্যা ও অন্যান্য প্রাকৃতিক বিপর্যয় এবং আধুনিক কৃষি ব্যবস্থাপনার অভাবে অধিকাংশ জমি ছিলো এক ফসলি উপরন্তু স্থানীয় জোতদার ও আধা-সামন্ত গোষ্ঠীদের আচরণে এদেশের বর্গাচাষীদের অবস্থা নাজুক ছিলো।এসমস্ত চিত্রের মধ্য থেকে চূড়ান্ত উত্তরণে মুক্তির দিশারী ছিলেন বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

কৃষিবিদ ড. মো. হুমায়ুন কবীর:কৃষি বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রিধারী ব্যক্তিকে কৃষিবিদ বলা হয়। কৃষিবিদদের জন্য জাতীয়ভাবে আমাদের দেশে একটি আলাদা দিবসের প্রচলন হওয়াতে আমরা কৃষিবিদরা গর্বিত। যতই দিন যাচ্ছে ততই বাংলাদেশের কৃষিখাত গুরুত্ব পাচ্ছে। আর কৃষিখাত গুরুত্ব পাওয়া মানেই কৃষিবিদদের জন্য গৌরবের। কারণ আজ বাংলাদেশের কৃষিক্ষেত্রে যে প্রভূত‚ত উন্নতি সাধিত হয়েছে তার পুরোটার কৃতিত্বই কৃষিবিদদের। কৃষিবিদ একটি মহান পেশা। এ পেশায় বাংলাদেশের মাটির গন্ধ মিশে রয়েছে। এ পেশা দেশের কৃষিকে পরিচালিত করছে। করছে দেশের কৃষককুলকে। দেশের খাদ্য উৎপাদনে অনন্য উদাহরণ সৃষ্টি করে চলেছে। কেউ গবেষণায়, কেউ সম্প্রসারণে, কেউ প্রশিক্ষণে, কেউ শিক্ষায় ব্যাপক অবদান রেখে চলেছেন।