ড. শাহানা পারভীন:বাংলাদেশ ধান গবেষনা ইনস্টিটিউট (ব্রি) উদ্ভাবিত জাতসমুহের মধ্যে বেশীরভাগই উচ্চফলনশীল। এছাড়া রয়েছে সুস্বাদু, সুগন্ধীযুক্ত, রপ্তানীযোগ্য, পুষ্টিসমৃদ্ধ ইত্যাদি বিশেষ বৈশিস্ট্যসম্পন্ন ধান। বর্তমানে ব্রি অধিক গুরুত্ব দিচ্ছে পুষ্টিসমৃদ্ধ এবং রপ্তানীযোগ্য ধানের জাত উদ্ভাবনের দিকে। বেশ কিছু পুষ্টিসমৃদ্ধ এবং রপ্তানীযোগ্য ধানের জাত ইতিমধ্যে উদ্ভাবিত হয়েছে। যেমন- জিংকসমৃদ্ধ, লৌহসমৃদ্ধ, লো-জিআইসম্পন্ন, এন্টি-অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ, গাবা ইত্যাদি ধান।

Initiative offers financial support for novel approaches and enabling technologies in crop research
Monheim, September 21, 2020–Bayer announced today that it has opened the application window for its Grants4Ag initiative. First introduced in 2015, the initiative has evolved in 2020 to offer researchers financial and scientific support to develop ideas for novel solutions across all research and development areas in the Division of Crop Science. Deadline for submissions is October 31, 2020.

ড. মো. আব্দুল মালেক:কৃষির উন্নয়ন কৃষকের উন্নয়নের পথকে সুগম করে। কৃষিভূমির প্রতিটি ইঞ্চি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে নিবিড়ভাবে চাষাবাদের মাধ্যমে দেশের কৃষিতে নববিপ্লব ঘটানো সম্ভব। এদেশের মাটি ভৌগোলিকভাবেই কৃষিবান্ধব হওয়ায় কৃষিখাত এদেশকে করেছে সমৃদ্ধ। স্বাধীনতা লাভের সময় আমাদের জনসংখ্যা ছিল সাত কোটি, আজ তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় সতেরো কোটিতে। খাদ্যে কোনো ঘাটতি না থাকায় বিপুল জনঅধ্যুষিত দেশ আজ উদ্বৃত্ত খাদ্য রপ্তানির জায়গায় পৌঁছেছে।

ড. মো. হুমায়ুন কবীর: আমরা জানি দেশের উত্তর পূর্বাঞ্চলের প্রায় ৭টি জেলার ৪৭টি উপজেলা নিয়ে হাওর এলাকা বিস্তৃত। এটি বাংলাদেশের একটি বিশেষ ভৌগোলিক অঞ্চল হলেও অর্থনীতিতে রয়েছে এর বিশেষ অবদান। এখানে সারাবছরে একটিই মাত্র ফসল হিসেবে বোরো ধানের আবাদ হয়ে থাকে।

প্রফেসর ড. খান মো: সাইফুল ইসলাম:ভাত বাঙ্গালীর প্রধান খাদ্য। বাঙ্গালী তিন বেলাই ভাত খায়। মাঝে মাঝে চার বেলা ভাত খায় গ্রামের মানুষ। চতুর্থ বেলা হচ্ছে খুব সকালে আগের দিনের পান্তা ভাত খাওয়া। যার পর কৃষক মাঠে কাজ করতে যায়। তাই অনেক সময় ব্যঙ্গ করে বলা হতো ভেতো বাঙ্গালী। চালের মূল্যকে মনে করা হতো এদেশের অর্থনৈতিক অবস্থার মাপকাঠি। অর্থাৎ অনাদিকাল থেকে এই অঞ্চলের মানুষের প্রধান ফসল ধান। তাই ধান মাড়াইয়ের পর পাওয়া যায় অনেক খড়।

কৃষিবিদ ড. এম. মনির উদ্দিন:আমি তখন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পাশাপাশি বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারন সম্পাদক। ইতিপুর্বে ১৯৯০ এর এরশাদ বিরোধী আন্দোলন শেষে ১৯৯১ এর জাতীয় নির্বাচন হয়ে গেছে। ছাত্র সমাজসহ জনসাধারন অনেকটাই ভেবেছিল যে, আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করবে যদিও বিএনপি নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করে। দীর্ঘদিন এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের ফলে আমাদের চার বছরের অনার্স কোর্স শেষ করে রেজাল্ট পেতে প্রায় সাড়ে সাত বছর লেগেছিল।