বাকৃবি প্রতিনিধি:বাংলাদেশে ইলিশ ও শোল মাছের উৎপাদন ও রপ্তানি নিয়ে গবেষণা এবং উন্নয়নে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদ এবং চীনের পার্ল রিভার ফিশারিজ রিসার্চ ইনস্টিটিউটের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। সোমবার দুপুরে মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের সম্মেলন কক্ষে এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।

কৃষিবিদ এম. আব্দুল মোমিন:কৃষিকে মানব সভ্যতার জাগরণ শুরু। বলা হয়ে থাকে কৃষিই কৃষ্টির মূল। কেননা কৃষি বাংলাদেশের কৃষ্টি ও সংস্কৃতির সঙ্গে নিবিড়ভাবে মিশে আছে। বাংলাদেশ ধানের দেশ-গানের দেশ-পাখির দেশ। তাই অগ্রহায়ণে ধান কাটার উৎসব গ্রামবাংলা তথা বাঙালির প্রাচীন ঐতিহ্য। পহেলা অগ্রহায়ণ মানেই ছিল বাঙালি গেরস্থ বাড়িতে উৎসবের আমেজ। নতুন ধানের গন্ধে ম ম উঠান বাড়ি। আবহমান এই ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে পহেলা অগ্রহায়ণ দিনটি নবান্ন উৎসব হিসেবে পালন করে আসছে এদেশের কৃষিতান্ত্রিক পরিবারগুলো।

কৃষিবিদ কামরুল হাসান কামু, শিক্ষার্থী,বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়:পেঁয়াজ বাংলাদেশের জন্যে একটি সংবেদনশীল মসলা জাতীয় ফসল। সম্প্রতি দেশব্যাপী পেঁয়াজের আকাশচুম্বী দাম বৃদ্ধিতে জনজীবন নাভিশ্বাস হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশে পেঁয়াজের চাহিদা প্রায় ২৪ লাখ টন। তবে পেঁয়াজ উৎপাদনে বাংলাদেশ এখনো স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়। গতবছর বাংলাদেশে পেঁয়াজ উৎপাদন হয়েছিলো ২৩ লাখ টন। পেঁয়াজের পচনশীল বৈশিষ্ট্যের জন্যে সঠিক সংরক্ষণ প্রয়োজন।শুধুমাত্র সঠিক সংগ্রহ পদ্ধতি ও সংরক্ষণের অভাবে প্রায় ৩০% পেঁয়াজ নষ্ট হওয়ার ফলে নীট উৎপাদন হয়েছিলো ১৬.৩০ লাখ টন এবং এই চিত্র প্রতিবছরই দেখা যায়।

কৃষিবিদ ড. এম. মনির উদ্দিন:বাংলাদেশের কৃষি বিষয়ে লিখতে গিয়ে হঠাৎ মনে পড়ে গেল চীনা পরিব্রাজক উইলিয়াম জেনিংস ব্রায়ানের সেই অমর বাণী ”তোমরা যদি তোমাদের দেশের শহরগুলোকে ধ্বংস করে খামারগুলোকে রক্ষা কর তাহলে তোমাদের শহরগুলো আবার মন্ত্রবৎ দাড়িয়ে উঠবে আর যদি খামারগুলোকে ধ্বংস করে শহরগুলোকে রক্ষা কর তাহলে তোমাদের শহরগুলোর রাস্তার উপর দিয়ে ঘাস গজাবে”।

Agrilife desk:With the clock ticking toward 2020, in just a decade, aquaculture is expected to account for two-thirds of the fish that humans consume. We all know that aquaculture is a young industry when compared to livestock farming.

খসরু মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়:বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব কোণে অবস্থিত ৩৬০ আউলিয়ার পূণ্যভূমি, হাওর, সমতলভূমি ও টিলাবেষ্টিত দু’টি পাতা একটি কুঁড়ির দেশখ্যাত বৃহত্তর সিলেটে কৃষির বিভিন্ন ক্ষেত্রে শিক্ষাদান ও দক্ষ গ্রাজুয়েট তৈরির লক্ষ্যে ২ নভেম্বর ২০০৬ সনে তৎকালীন সিলেট সরকারি ভেটেরিনারি কলেজকে ভেটেরিনারি এন্ড এনিম্যাল সায়েন্স অনুষদে রূপান্তর করে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় যাত্রা শুরু করে।