শিক্ষার উদ্দেশ্য হলো নৈতিক চরিত্র তৈরি-কৃষিমন্ত্রী

Category: ফোকাস Written by agrilife24

ফোকাস ডেস্ক:শিক্ষার উদ্দেশ্য হলো নৈতিক চরিত্র তৈরি। নৈতিক শিক্ষা মানুষের মননে অন্তরে আদর্শিক গুণাগুণ তৈরি করে। মানুষের প্রতি ভালোবাসা জাগ্রত করা। অন্যের প্রতি সম্মান স্নেহ শ্রদ্ধাসৃষ্টি করা। সৃষ্টি ও মানুষের প্রতি দয়া মানবতা দেখানো। অপরের সুখ শান্তি আপদে বিপদে কাছে থাকা। শিক্ষা মানুষকে মানুষের প্রতি ভালোবাসা দেখাতে জাগ্রত করে। মানুষ কতগুলো মানবীয় গুণাগুণ নিয়ে চলতে শিখে। এই শিক্ষাই জাতীকে উন্নত করে সমৃদ্ধ করে।

আজ কৃষিমন্ত্রী ড. মোঃ আব্দুর রাজ্জাক এমপি মধুপুর শহীদ স্মৃতি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী ও বিজ্ঞান মেলায় এসব কথা বলেন।

শিক্ষার মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারন করে দেশ প্রেম উজ্জীবিত হয়ে বঙ্গবন্ধু ও স্বাধীনতা এবং বাংলাদেশকে জানতে হবে।  মানুষের মতো মানুষ হতে হবে, আর্দশবান মানুষ হতে হবে। মানবতার মা বিশ্ব নেত্রীর কল্যানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নারীর সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে। নারীরা এগিয়ে যাচ্ছে সরকার উচ্চ পর্যায়ে তারা তাদের যোগ্যতার স্বাক্ষর রাখছে।

উন্নয়নশীল কিংবা নিম্নমধ্যম আয়ের দেশ যেই ভাবে ভাবুন না কেনো বাংলাদেশের অগ্রগতির পথে যে সকল অন্তরায় আছে সেগুলো ক্রমান্বয়ে দূরীভূত হচ্ছে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার দূরদর্ষিতার জন্য ।

শিক্ষাক্ষেত্রের প্রতিবন্ধকতা সর্বাগ্রে দূর করে আলোর পথ বাংলাদেশ। আর সেই আলোয় আলোকিত হয়ে বাংলাদেশের সামনে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা ২০৩০ এর ‘এস ডি জি’ এবং ২০৪১ এর স্বপ্নের ‘রূপকল্প’ বাস্তবে কার্যকরী হবে, দেশ চলে যাবে উন্নত দেশের কাতারে বলেন কৃষিমন্ত্রী।

স্কুলের প্রতিষ্ঠা সভাপতি মোঃ নুর রহমান অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান ছরোয়ার আলম খান আবু,পৌর মেয়র মাসুদ পারভেজ ও ইউএনও আরিফা জহুরা।

এর আগে ধনবাড়ী বাসস্ট্যান্ডে এম ট্যাক সল্যুশন ও আইটি ফার্ম উদ্বোধন করেন কৃষিমন্ত্রী।

কৃষিমন্ত্রী অপর এক অনুষ্ঠানে গোপালপুর উপজেলায় সূতী ভি.এম পাইলট মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ১শ বছর উদযাপন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম প্রধান অতিথি ছিলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোঃ শহিদুল ইসলাম।

১৯২০ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে বিজয়ের স্মৃতিস্বরূপ বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। আগামী ২০২০ সালের ২ জানুয়ারি শতবর্ষ পূর্ণ করেছে বিদ্যালয়টি। দেশের রাজনীতি, শিক্ষা, ক্রীড়াঙ্গনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা রেখে চলেছে অসামান্য অবদান।

কৃষিমন্ত্রী বলেন; আমাদের কৃষ্টি সংস্কৃতিকে ধারণ করে আত্মপ্রত্যয়ী, নিয়মানুবর্তিতা,  স্বাধীনতার  ও চেতনা,সৎ ও সুস্থ সাংস্কৃতির উন্মেষ ঘটাতে হবে। নৈতিক মানসম্পন্ন নাগরিক সৃষ্টি করতে হবে;তাহলে শিক্ষা থেকে সুফল লাভ হবে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা সহজ হবে।

প্রতিটি নাগরিকের মধ্যে দেশপ্রেম ও স্বাধীনতার চেতনা, মানবিকতার মত মহৎ গুণাবলীর সমাবেশ ঘটিয়ে শিক্ষার্থীর মনে নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধ সৃষ্টি করতে হবে, সু-শৃঙ্খল জীবন যাপন করতে হবে।