ফোকাস ডেস্ক:কৃষি মন্ত্রী ড.মো: আব্দুর রাজ্জাক এমপি আজ বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) মন্ত্রণালয়ে তাঁর অফিসকক্ষে কেনিয়ার কৃষি, প্রাণিসম্পদ ও মৎস্য মন্ত্রী Mwangi kiunjuri নেতৃত্বে এক প্রতিনিধি দলের সাথে বৈঠক করেন। বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের জন্য কেনিয়া এবং বাংলাদেশ উভয়েই আগ্রহ প্রকাশ করেছে। বাংলাদেশ থেকে কেনিয়ার রপ্তানিকৃত পণ্যের মধ্যে পাট শীর্ষস্থান দখল করে রয়েছে; কেনিয়া বাংলাদেশ থেকে ঔষধ আমদানি করছে। তাদের বাংলাদেশ হতে চামড়া জাত পণ্য আমদানির আহবান জানান কৃষি মন্ত্রী। বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে কৃষি ও রপ্তানিরখাত নিয়ে কথা হয়।

রায়হানুল নবী:গতকাল শনিবার (৩১ আগস্ট) দুপুর ১২ টায় নতুন ৭ টি হরিণ আনা হয়েছে টিলাগড় বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ কেন্দ্রে।যার মধ্যে রয়েছে দুইটি পুরুষ প্রজাতি ও পাঁচটি মহিলা প্রজাতি চিত্রা হরিণ। সিলেট শহর থেকে ৮ কিলোমিটার পূর্বে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এবং সিলেট প্রকৌশল কলেজের কাছে অবস্থিত সিলেট বণ্যপ্রাণী সংরক্ষণ কেন্দ্র। যা টিলাগড় ইকোপার্ক নামে পরিচিত।

ফোকাস ডেস্ক:আমাদের জন্য সহজ প্রোটিন ডালের উৎপাদন বৃদ্ধিতে কাজ করছে সরকার। একসময় কানাডা থেকে প্রচুর পরিমান মশুর ডাল আমদানি করা হতো, এখন আমরা ডাল রপ্তানির মতো অবস্থানে পৌঁছেছি। বাংলাদেশে ডালের উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য উপকুলীয় এলাকায় ডাল ও ভুট্টা উৎপাদন বৃদ্ধিতে কাজ হচ্ছে। নোয়াখালী ও লক্ষীপুর জেলায় পুষ্টিমান সমৃদ্ধ সয়াবিনের আবাদ হয়। সয়াবিনের আবাদ আরও বাড়াতে হবে। এছাড়াও দেশের চরাঞ্চলে বরিশাল, পটুয়াখালী, ভোলা ও বরগুনাতে সয়াবিনের চাষ হচ্ছে। এছাড়া অঞ্চল ভিত্তিক নতুন নতুন ডালের জাত উদ্ভাবন করা হচ্ছে।

ফোকাস ডেস্ক:মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, বাঙালি সত্ত্বাকে ও একাত্তরের চেতনাকে ধ্বংস করার জন্য ১৫ আগস্ট স্বাধীনতাবিরোধীরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে। বঙ্গবন্ধুকে দৈহিকভাবে হত্যা করা হলেও তার মৃত্যু নেই। তিনি চিরঞ্জীব। একটা জাতিরাষ্ট্রের স্বপ্নদ্রষ্টা এবং স্থপতি তিনিই। বঙ্গবন্ধু এক মহান আদর্শের নাম। যে আর্দশে উজ্জীবিত হয়েছিল গোটা দেশ। সমগ্র জাতিকে তিনি বাঙালি জাতীয়তাবাদের প্রেরণায় প্রস্তুত করেছিলেন। ঔপনিবেষিক শাসক-শোষক পাকবাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়তে। তিনি এ জাতির চেতনা।

ফোকাস ডেস্ক:বঙ্গবন্ধু মানেই বাংলাদেশ, বাংলাদেশ মানেই বিশ্বমানচিত্রে সর্বোচ্চ সংখ্যক আত্মবিসর্জনের স্মারক লাল-সবুজের পতাকা। তিনি ছিলেন এই বাংলার জনগণের অন্ধকারাচ্ছন্ন যুগের আলোর বাতিঘর। ১৫ আগস্ট এই মহামানবকে হত্যা করলো স্বাধীনতা বিরোধীরা। এ দেশ ও সমাজকে শোষণ করতে চেয়েছিল, তারাই বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছে। তাকে হত্যা করে খুনিচক্র মনে করেছিল তার আদর্শ এবং আওয়ামী লীগকে ধ্বংস করে দিবে।

ফোকাস ডেস্ক:৭ মার্চের ভাষনের শেষ দুটি লাইন আজও আমাদের অনুপ্রাণিত করে। এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম। বঙ্গবন্ধুর দুরদর্শিতা, প্রজ্ঞা মানুষের কথা বলার অধিকারের জন্য তিনি বলেছিলেন মুক্তির সংগ্রাম। মুক্তির সংগ্রামের জন্য সকল ধর্ম বর্ণের মানুষ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে জীবন বাজি রেখে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে দেশ স্বাধীন করেছে। তখনতো বলা হয়নি মুসলমানরা স্বাধীনতার যুদ্ধে যাবে। বঙ্গবন্ধু চেয়েছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ, ইসলামী প্রজাতন্ত্র না। তিনি ধর্ম নিরপেক্ষ অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের কথা বলেছেন।