In The Spotlight
মোঃ গোলাম আরিফ: কৃষি তথ্য সার্ভিস, আঞ্চলিক কার্যলয়, পাবনার আয়োজনে “টেকসই কৃষি উন্নয়নে কৃষি তথ্য বিস্তার: বর্তমান ও আগামীর করণীয়”শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মো: এমদাদুল হক:রাজশাহীতে আঞ্চলিক কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ কমিটির সভা অনুষ্ঠিত: ২০২৬-২৭ খরিপ ১- মৌসুমের কার্যক্রম পর্যালোচনা ও আগামী ২০২৬-২৭ খরিপ-২ মৌসুমের কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকাল ১০.৩০ টায় রাজশাহী অঞ্চলের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালকের সম্মেলন কক্ষে ২০২৬-২৭ খরিপ-১ মৌসুমের কার্যক্রম পর্যালোচনা এবং আগামী ২০২৬-২৭ খরিপ-২ মৌসুমের কর্মপরিকল্পনা নিয়ে কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম:মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, দেশের প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র খামারিদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে বিশুদ্ধ জাতের ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল ও দেশীয় ভেড়া সম্প্রসারণ প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
মোছাঃ সুমনা আক্তারী:নাটোর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে গত মঙ্গলবার ০৯ জুন সকাল ১০টায় নাটোর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালকের নিজ কক্ষে খরিপ-১/২০২৬-২৭ মৌসুমের কর্মপরিকল্পনার পর্যালোচনা ও অনুমোদন এবং খরিপ-২/২০২৬-২৭ মৌসুমের কৃষি কার্যক্রম এবং কর্মপরিকল্পনার কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়।
মো, জুলফিকার আলী:আঞ্চলিক বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সি, সিলেট অঞ্চল, সিলেট কর্তৃক আয়োজিত “খাদ্য নিরাপত্তায় বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সীর ভূমিকা” আঞ্চলিক সেমিনার ০৯ জুন ২০২৬ খ্রি: তারিখে অতিরিক্ত পরিচালকের কার্যালয়, ডিএই, সিলেট অঞ্চল, সিলেট এর সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।
Mohammad Riaz, BAU:Bangladesh Agricultural University (BAU) will observe World Milk Day 2026 with a two-day programme beginning on June 9, during which around 2,500 children from eight schools on and around the university campus will be provided with milk.
এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম:দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি ব্যাংক ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসি (ইউসিবি)-এর ৪৩তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম:রাজধানীর মহাখালীস্থ টিঅ্যান্ডটি মাঠে আজ সফলভাবে অনুষ্ঠিত হলো সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য বিশেষ আয়োজন "স্বপ্ন আম উৎসব"। এই উদ্যোগের মাধ্যমে মৌসুমি ফল আমের আনন্দ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণির সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝে পৌঁছে দেওয়া হয়।
এগ্রিলাইফ প্রতিনিধি: প্রান্তিক মৎস্য খামারিদের আধুনিক চাষ পদ্ধতি ও কারিগরি সহায়তার মাধ্যমে লাভবান করার লক্ষ্যে রাজশাহীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে দিনব্যাপী "খামারী সমৃদ্ধি কর্মশালা"।
মো. ওয়াকিলুর রহমান:বাংলাদেশের কৃষি আজ এক অনন্য সাফল্যের গল্প। জনপ্রতি সীমিত আবাদি জমির ওপর নির্ভর করেই দেশের কৃষকেরা ১৮ কোটিরও বেশি মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করছেন। কৃষি শুধু একটি অর্থনৈতিক খাত নয়; এটি দেশের খাদ্য ব্যবস্থা, গ্রামীণ জীবিকা, কর্মসংস্থান এবং সামাজিক স্থিতিশীলতার অন্যতম ভিত্তি। দীর্ঘদিন পর একটি গণতান্ত্রিক সরকারের অধীনে প্রণীত জাতীয় বাজেট ঘোষণার প্রেক্ষাপটে কৃষকের প্রত্যাশা ও বাস্তব প্রাপ্তির মধ্যে কতটা সামঞ্জস্য তৈরি হয়েছে, তা বিশ্লেষণ করা বিশেষভাবে প্রাসঙ্গিক।
বাংলাদেশের কৃষকের চাওয়া খুব বেশি নয়। তারা চান সাশ্রয়ী মূল্যে বীজ, সার, সেচ, বিদ্যুৎ ও কৃষিযন্ত্রের সহজলভ্যতা। প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত হলে চান কার্যকর বীমা ও পুনর্বাসন সহায়তা। সর্বোপরি, তারা চান উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য, যাতে কৃষিকাজ একটি টেকসই ও সম্মানজনক পেশা হিসেবে টিকে থাকে। কিন্তু বাস্তবতা প্রায়ই ভিন্ন চিত্র তুলে ধরে। অনেক ক্ষেত্রে কৃষকদের নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে কৃষি উপকরণ কিনতে হয়। আবার বাজার ব্যবস্থার দুর্বলতা, মধ্যস্বত্বভোগীদের আধিপত্য এবং সরকারি ক্রয় ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতার কারণে উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য মূল্য থেকেও তারা বঞ্চিত হন। উদাহরণস্বরুপ-এবার বোরো মৌসুমে কৃষকেরা সরকারি নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে কম দামে ধান বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছেন।
এ বাস্তবতায় কৃষকের প্রত্যাশা পূরণে শুধু নীতিগত অঙ্গীকার যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন পর্যাপ্ত বাজেট বরাদ্দ এবং তার কার্যকর বাস্তবায়ন। সেই দৃষ্টিকোণ থেকেই ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের মূল্যায়ন তুলে ধরা হলো।
গত কয়েক বছরের বাজেট পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, কৃষি ও কৃষি-সংশ্লিষ্ট খাতে বরাদ্দের পরিমাণ কিছুটা বৃদ্ধি পেলেও জাতীয় বাজেটে এর অংশীদারিত্ব ক্রমান্বয়ে সংকুচিত হয়েছে। গত পাঁচ বছরে কৃষি খাতে মোট বাজেটের প্রায় ৫ থেকে ৮ শতাংশ হারে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। চলতি অর্থবছরে (২০২৫-২৬) সংশোধিত বরাদ্দ ছিল মোট বাজেটের ৫.৮১ শতাংশ, যা আগের বছরের ৬.৬৫ শতাংশের তুলনায় কম। প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরে কৃষি-সংশ্লিষ্ট পাঁচটি মন্ত্রণালয়ের মোট বরাদ্দ ধরা হয়েছে ৪৬ হাজার ৮২১ কোটি টাকা। পরিমাণগতভাবে এটি আগের বছরের তুলনায় ১ হাজার ৩২ কোটি টাকা বেশি হলেও মোট বাজেটের অনুপাতে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৪.৯৯ শতাংশে।
এখানেই কৃষকের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির মধ্যে একটু ব্যবধান স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। জাতীয় বাজেট সামগ্রিকভাবে যেখানে ১৯.০৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, সেখানে কৃষি খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি মাত্র ২.২৫ শতাংশ। খাদ্য নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা, কৃষির আধুনিকায়ন এবং কৃষকের আয় বৃদ্ধি—এসব জাতীয় অগ্রাধিকারের আলোকে কৃষি খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধির এই ধীরগতি কতটা যৌক্তিক, তা নতুন করে ভাবার সময় এসেছে। কৃষিকে যদি সত্যিকার অর্থে উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দুতে রাখতে হয়, তবে বাজেটে তার প্রতিফলনও থাকতে হবে।
খাতভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, কৃষি মন্ত্রণালয়ের উন্নয়ন বাজেট উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়ে ৪ হাজার ৪৪ কোটি টাকা থেকে ৭ হাজার ৯৪৬ কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে। এটি নিঃসন্দেহে ইতিবাচক উদ্যোগ। বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন খাতে বরাদ্দ একটু বাড়ালো হয়েছে। অপরপক্ষে, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উন্নয়ন বরাদ্দ ১ হাজার ৪৮৮ কোটি টাকা থেকে কমে মাত্র ৭০৫ কোটি টাকায় নেমে এসেছে। একইভাবে ভূমি ও পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উন্নয়ন বাজেটেও কাটছাঁট করা হয়েছে। অথচ কৃষির সামগ্রিক উন্নয়ন একটি সমন্বিত প্রক্রিয়া। ফসল, মৎস্য, প্রাণিসম্পদ, পানি ব্যবস্থাপনা ও ভূমি ব্যবস্থাপনা একে অপরের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ফলে একটি খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি এবং অন্য খাতে সংকোচন কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জনের পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারে।
ভর্তুকির চিত্রও মিশ্র বার্তা দেয়। প্রস্তাবিত বাজেটে মোট ভর্তুকি বাবদ ৮৯ হাজার ৫৩৮ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হলেও এটি চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের তুলনায় প্রায় ৫ হাজার ৫০০ কোটি টাকা কম। বিশেষ করে কৃষি খাতে ভর্তুকির পরিমাণ চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বরাদ্দ ১৭ হাজার কোটি টাকা থেকে মাত্র ১ কোটি টাকা বৃদ্ধি করে ১৭ হাজার ১ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সামগ্রীক ভৃর্তুকি খাতে বরাদ্দের মাত্র ১৯.৯৯ শতাংশ কৃষি খাতে রাখা হয়েছে। বর্তমান বৈশ্বিক বাজারে কৃষি উপকরণের মূল্যবৃদ্ধি, জ্বালানি ব্যয় বৃদ্ধি এবং জলবায়ুজনিত ঝুঁকির প্রেক্ষাপটে এই সীমিত বৃদ্ধি কৃষকের জন্য কতটা সহায়ক হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়। প্রস্তবিত বাজেটে, ভূর্তুকি, প্রণোদনা ও চলতি হস্তান্তর অংশে ’অন্যান্য’ খাতে বেশ বড় বরাদ্দ ৩৩,৮১২ কোটি টাকা রাখা হয়েছে (চলতি অর্থবছর এই বরাদ্দ ছিল মাত্র ১৩,০৪১ কোটি টাকা) যা প্রয়োজনের নিরিখে কৃষি খাতে হস্তান্তর করলে ভাল ফল পাওয়া যাবে।
তবে বাজেটে কৃষকের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ইতিবাচক উদ্যোগও রয়েছে। কৃষক কার্ড কর্মসূচির জন্য ১ হাজার ৬২.৫ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যার মাধ্যমে ৪২ লাখ ৫০ হাজার কৃষককে সরাসরি আর্থিক সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এটি বাস্তবায়িত হলে কৃষকের কাছে সরকারি সহায়তা আরও সহজে ও স্বচ্ছভাবে পৌঁছানো সম্ভব হবে। একই সঙ্গে প্রণোদনা খাতে বরাদ্দ ৮০০ কোটি টাকা বৃদ্ধি করা হয়েছে, যা কৃষি উৎপাদন অব্যাহত রাখতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।
এছাড়া স্থানীয় পর্যায়ে উৎপাদন ব্যবস্থাকে উৎসাহিত করতে বেশ কিছু কর-সুবিধা দেওয়া হয়েছে। কৃষি কাজে ব্যবহৃত কীটনাশকের ওপর আমদানি পর্যায়ে ভ্যাট ও অগ্রীম কর কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। ধান, গম, আলু, বীজসহ ৬০টি নিত্যপ্রয়োজনীয় কৃষি পণ্যের উৎস কর (সোর্স ট্যাক্স) বিদ্যমান ১ থেকে ৫ শতাংশ হার কমিয়ে ০.৫ শতাংশ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে আমদানি নির্ভরতা কমাতে ডাল, তৈলবীজ, মসলা ও ভুট্টা চাষে ৪ শতাংশ সুদে সহজ শর্তে কৃষিঋণ কার্যক্রম অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এসব পদক্ষেপ কৃষি উৎপাদন ব্যয় কমাতে এবং কৃষকের আর্থিক চাপ হ্রাসে সহায়ক হতে পারে। যা খাদ্য মূল্যস্ফীতি কমাতে সহায়তা করবে বলে আশা করা যায়।
আরেকটি ইতিবাচক দিক হলো কৃষি মন্ত্রণালয় সাতটি বিষয়কে অগ্রাধিকার দিয়েছে। এর মধ্যে কৃষক কার্ডের মাধ্যমে ডিজিটাল সেবা প্রদান, মানসম্মত বীজ উৎপাদন ও বিতরণ, ভূ-উপরস্থ পানির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং জৈব সারের সর্বোত্তম ব্যবহার বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। দীর্ঘমেয়াদে এসব উদ্যোগ টেকসই কৃষি উন্নয়ন এবং জলবায়ু সহনশীল কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
তবে সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকারের সঙ্গে বাজেটের সামঞ্জস্য বিচার করলে কিছু ঘাটতি স্পষ্ট হয়। কৃষকদের মর্যাদা বৃদ্ধি, কৃষি বীমার সম্প্রসারণ, খাল খনন ও পুনঃখনন এবং কৃষি উদ্যোক্তা তৈরির বিষয়গুলো গুরুত্ব পেলেও এসব কর্মসূচির জন্য পর্যাপ্ত ও সুস্পষ্ট বরাদ্দ এখনও দৃশ্যমান নয়। বিশেষ করে কৃষি বীমা, জলবায়ু সহনশীল কৃষি, সেচ অবকাঠামো উন্নয়ন, খাল পুনঃখনন এবং তরুণ কৃষি উদ্যোক্তাদের জন্য স্টার্ট-আপ তহবিল গঠনের বিষয়গুলোকে আরও বেশি গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। উল্লেখ্য যে, ক্রিয়েটিভ ইকোনমির জন্য তিন হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে তা হয়ত তরুণ উদ্যোক্তা তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকা রাখবে।
আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো বাজেটের গুণগত মান এবং সময়মত বাস্তবায়ন। বরাদ্দের পরিমাণ বৃদ্ধি পেলেই কৃষকের কল্যাণ নিশ্চিত হয় না; প্রয়োজন এমন ব্যয় কাঠামো, যার সুফল সরাসরি কৃষকের কাছে পৌঁছায়। বর্তমানে বাজেটের একটি বড় অংশ প্রশাসনিক ও অনুন্নয়ন খাতে ব্যয় হয়, যার প্রত্যক্ষ প্রভাব কৃষকের জীবনে সীমিত। তাই কৃষি গবেষণা, সম্প্রসারণ সেবা, বাজার ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণ অবকাঠামো এবং ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতে বিনিয়োগ বাড়ানো জরুরি। প্রয়োজনে এসব খাতে বিশেষ বরাদ্দের ব্যবস্থাও করা যেতে পারে।
সবশেষে বলা যায়, কৃষি খাতের বাজেট কেবল একটি মন্ত্রণালয়ের হিসাব নয়; এটি দেশের খাদ্য নিরাপত্তা, দারিদ্র্য বিমোচন, কর্মসংস্থান এবং টেকসই উন্নয়নের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। ২০২৬-২৭ সালের প্রস্তাবিত বাজেটে কৃষকের জন্য কিছু আশাব্যঞ্জক উদ্যোগ থাকলেও বরাদ্দের সামগ্রিক চিত্র এখনও তাদের প্রত্যাশার সঙ্গে পুরোপুরি সঙ্গতিপূর্ণ নয়। কৃষকের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির ব্যবধান যত কমবে, ততই শক্তিশালী হবে গ্রামীণ অর্থনীতি, নিরাপদ হবে দেশের খাদ্য ব্যবস্থা এবং টেকসই হবে জাতীয় উন্নয়ন। কৃষিকে ব্যয় নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় বিনিয়োগ হিসেবে দেখতে হবে। কারণ কৃষক সুরক্ষিত থাকলে, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে এবং দেশও সুরক্ষিত থাকবে।
লেখক: প্রফেসর, গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান বিভাগ, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
বাকৃবি প্রতিনিধিঃকোভিড-১৯ মহামারির শুরুতে এর উৎস নিয়ে বিজ্ঞানীরা ছিলেন অনিশ্চিত। অনেকেই ধারণা করেছিলেন, ভাইরাসটি বাদুর থেকে এসেছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রাণীর শরীরে এই ভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হলেও বাংলাদেশে এ বিষয়ে কোনো গবেষণা হয়নি।
ড. তাজুল ইসলাম চৌধুরী তুহিন: সারা পৃথিবীর মধ্যে বাংলাদেশ আজ খাদ্য উৎপাদনে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। ধান, মাছ, সবজি, ফলমূল, দুধ ও ডিম উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতার পথে অনেক দূর এগিয়েছে।
সিকৃবি প্রতিনিধি:সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিকৃবি) মাৎস্য বিজ্ঞান অনুষদের নতুন ডিন হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন উপকূলীয় ও সামুদ্রিক মাৎস্য বিজ্ঞান বিভাগের সিনিয়র প্রফেসর ড. শহীদুল ইসলাম।
সিকৃবি প্রতিনিধি:অস্ট্রেলিয়ায় উচ্চশিক্ষা, স্কলারশিপ ও ভিসা সংক্রান্ত পদ্ধতি নিয়ে অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশনের প্রতিনিধি দল সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস- চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো: আলিমুল ইসলাম এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেছেন।
সিকৃবি প্রতিনিধি:সুস্থ দেহে সুস্থ মন। শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি মানসিক প্রশান্তির জন্য সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারীদের দাবির প্রেক্ষিতে বৈশ্বিক ক্রীড়াঙ্গনের সর্ববৃহৎ অনুষ্ঠান বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা উপভোগ করার জন্য কর্মচারী পরিষদে স্মার্ট টেলিভিশন উপহার দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস- চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো: আলিমুল ইসলাম।





















