মরিচের জাব পোকা প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় সতর্কতা এবং দমন ব্যবস্থা

Category: সমকালীন কৃষি তথ্য Written by agrilife24

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম:দেশে কৃষকদের অর্থকরী ফসল হিসেবে অন্যতম হলো মরিচ। বাংলাদেশের প্রায় সর্বত্রই এ মশলা ফসলটি চাষ করে কৃষকরা আর্থিক স্বচ্ছলতার উন্নয়ন ঘটান। আর চলতি বছরে প্রায় সময়ই মরিচের দাম ভালো পেয়েছেন মরিচ চাষীরা।

তবে দেশে মরিচের উৎপাদন কম হওয়ার অনেক কারণ রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম প্রধান কারণ হচ্ছে পোকামাকড়ের আক্রমণ। এসব পোকা মাকড়ের মধ্যে এগ্রিলাইফ২৪ ডটকমের সম্মানিথ পাঠক ও মরিচ চাষীদের জন্য  রয়েছে মরিচের জাব পোকা চেনা, এটি প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় সতর্কতা এবং দমন ব্যবস্থা। ।

জাব পোকার [বৈজ্ঞানিক নাম: Myzus persicae, পরিবার: Aphididae, বর্গ: Homoptera]

পোকার ধরনঃ
জাব পোকা দেখতে ছোট(২মি.মি), দেহ নরম, উজ্জল কাল রংয়ের হয়ে থাকে। পাখাযুক্ত স্ত্রী জাবপোকা এক  গাছ থেকে অন্য গাছে গিয়ে বংশবিস্তার করে। স্ত্রী পোকা পুরুষ পোকার সাথে যৌনমিলন ছাড়াই ১০-১২ দিন জীবনকালের মধ্যে ৮-৩০ টি নিম্ফ জন্ম দিতে পারে। অল্প বয়স্ক নিম্ফগুলি ৫-৮ দিনে ৪টি স্তর অতিক্রম করে পূর্ণবয়স্ক পোকায় পরিণত হয়ে পুনরায় দ্রুত বংশবিস্তার শুরু করে। পাখাবিহীন স্ত্রী জাব পোকা ২৪ ঘন্টার মধ্যে বাচ্চা দিতে শুরু করে। এরা সারা বছরই বংশবৃদ্ধি করতে পারে।

ক্ষতির প্রকৃতি:
অপ্রাপ্ত এবং প্রাপ্তবয়স্ক উভয় অবস্থাতেই জাব পোকা দলবদ্ধভাবে মরিচের কচি পাতা, কান্ড, পুস্পমঞ্জুরী, ফুল ও ফল থেকে রস চুষে খায়। ফলে গাছ দুর্বল হয়ে যায়, পাতা কুঁকড়ে যায়, ফুল ও ফলধারণ বাঁধাগ্রস্থ হয়।আক্রমণের মাত্রা বেশী হলে গাছের পাতাগুলি বিকৃতি হয়ে যায়। ফলে গাছের বৃদ্ধি ব্যাহত হয়। জাব পোকা কর্তৃক নি:সৃত মধু রসে স্যুটি মোল্ড ছত্রাক দেখা দেয়।সরাসরি ক্ষতি করা ছাড়াও এ পোকা মোজাইক ভাইরাস রোগের বিস্তৃতি ঘটায়। বাতাসের আদ্রতা বেশী হলে এবং আবহাওয়া মেঘাচ্ছন্ন থাকলে এ পোকার প্রাদুর্ভাব বেড়ে যায়।

পোকা আক্রমণের পূর্বে করণীয়ঃ

পোকা আক্রমণের পর করণীয়ঃ

বিঃ দ্রঃ প্রয়োজনে আপনার নিকটস্থ কৃষি কর্মকর্তা অথবা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করুন। স্প্রে করার পর ১৫ দিনের মধ্যে সেই সবজি খাবেন না বা বিক্রি করবেন না।