Friday, 20 July 2018

 

বোরো ধানে ব্লাস্ট ক্ষতির পরিমাণ উদ্বেগজনক নয়

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম:ব্লাস্ট ধানের একটি ছত্রাকজনিত রোগ। এটি নতুন কোন রোগ নয়। প্রতি বছরই বোরো ও আমন মওসুমে বিভিন্ন এলাকায় কম বেশী এ রোগটি হয়ে থাকে। বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) এ রোগটির সঠিক ব্যবস্থাপনাও উদ্ভাবন করেছে। এ রোগের কারণে শীষের গোড়ায় কালচে রং পরিলক্ষিত হয় এবং শীষে ধান আংশিক অথবা পুরাপুরি চিটা হয়ে যায়।

এ রোগের প্রাদুর্ভাব আবহাওয়ার উপর নির্ভরশীল, দিনের বেলায় গরম ও রাতে ঠান্ডা, শিশিরে ভেজা সকাল, মেঘাচ্ছন্ন আকাশ, ঝড়ো হাওয়া এবং গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি রোগ বিস্তারের জন্য খুবই উপযোগী। অনুকূল পরিবেশ পেলেই এ রোগটি মারাত্মক আকারে দেখা দেয় এবং বাতাসের মাধ্যমে দ্রুত ছড়ায়। রোগের অনুকূল পরিবেশ বিরাজ করা অবস্থায় ধানের যে সমস্ত জাত ফুল আসা পর্যায়ে থাকে, সেই জাতগুলো খুব সহজেই শীষ ব্লাস্ট রোগ দ্বারা আক্রান্ত হয়। গত ২-৩ বছর যাবত ব্লাস্ট রোগের তীব্রতা আগাম বোরো জাতের ক্ষেত্রে বেড়ে গেছে। শীষ ব্লাস্ট রোগের আক্রমণ প্রাথমিকভাবে বোঝা যায় না। সাধারণত: কৃষক যখন জমিতে শীষ ব্লাস্ট রোগ সনাক্ত করেন, তখন জমির ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়ে যায়। সে সময় অনুমোদিত মাত্রায় ছত্রাক নাশক প্রয়োগ করলেও রোগ দমন করা সম্ভব হয় না। সেজন্য রোগের বিস্তারের অনুকূল আবহাওয়া বিরাজ করলে রোগটি দমনের জন্য কৃষক ভাইদের আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেয়া উচিত।

ব্রি আবহাওয়ার পূর্বাভাস বিশ্লেষণ করে এবছর আগেভাগেই ব্লাস্ট প্রতিরোধে নিম্নবর্ণিত পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে-

১) এ রোগটি সম্পর্কে ফ্যাক্টশীটের মাধ্যমে সতর্কবার্তা প্রেরণ করেছে যা ব্রি’র ওয়েবসাইটে রয়েছে। বোরো মওসুমের শুরুতে ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে উক্ত ফ্যাক্টশীটের ৬,০০,০০০ (ছয় লক্ষ) কপি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মাধ্যমে কৃষকদের মাঝে বিতরণ করা হয়।

২) ই-মেইলের মাধ্যমে এ রোগ দমনের জন্য ১৭ এবং ২৫ মার্চ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কন্ট্রোল রুমসহ সকল জেলার উপ-পরিচালকবৃন্দকে রোগ প্রতিরোধের পূর্বাভাস সম্পর্কে আগাম বার্তা প্রেরণ করা হয়।

৩) এছাড়া বিভিন্ন আঞ্চলিক কৃষি কারিগরি কমিটি এবং জেলা কৃষি কারিগরি কমিটিতে বিজ্ঞানীবৃন্দ ব্লাস্ট ব্যবস্থাপনা বিষয়ে আগাম সতর্কতা দিয়েছেন।

৪) ব্রি’র সদর দপ্তরের বিভিন্ন স্তরের বিজ্ঞানীদের সমন্বয়ে দেশের বিভিন্ন ব্লাস্ট আক্রান্ত এলাকা পরিদর্শন করার জন্য প্রধান কার্যালয়ে ৭ (সাত) টি ও আঞ্চলিক কার্যালয়ে ৯ (সাত) টি দল গঠন করা হয়েছে। উক্ত দল এবং ৯টি আঞ্চলিক কার্যালয়ের বিজ্ঞানীগণ ইতোমধ্যে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহায়তায় ১৪ টি ব্লাস্ট আক্রান্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন এবং রোগটি প্রতিকারের বিষয়ে ভুক্তভোগী চাষী ভাইদের পরামর্শ প্রদান করেছেন। পরিদশর্নে আনুমানিক আক্রান্ত জমির পরিমাণ প্রায় ২৭২০ হেক্টর। ব্রি-র বিজ্ঞানীদের হিসেবে পরিদর্শনকৃত এলাকায় ব্লাস্ট রোগে সম্ভাব্য ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ২৪৮০ টন।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুসারে, সারাদেশের আক্রান্ত জমিতে ক্ষতির ধরণ ও মাত্রা এক রকম নয় এবং ১৪টি অঞ্চলে মোট বোরো আবাদি এলাকা ৪৯,৮৭,৮১১ হেক্টর যার মধ্যে মাত্র ২৩১৫.৫০ হেক্টর অর্থাৎ শতকরা ০.০৪৬ ভাগ ব্লাস্ট রোগে আক্রান্ত হয়েছে। রাজশাহী অঞ্চলে মোট বোরো আবাদি এলাকা ৩,৭০,৭৬৫ হেক্টর, রংপুর অঞ্চলে ৫,১৯,১৫৯ হেক্টর, দিনাজপুর অঞ্চলে ২,৭৮,১২৭ হেক্টর, ফরিদপুর অঞ্চলে ১৮৬৫০০ হেক্টর যেখানে ব্লাস্ট আক্রান্ত এলাকা খুবই কম এবং সেখানে পূর্বেই প্রতিরোধী ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে ফলে ক্ষতির মাত্রাও কম। আক্রান্ত ২৩১৫.৫০ হেক্টর জমির ফলন সর্বোচ্চ ২০% অর্থাৎ ১৮৫৭ টন বা মোট উৎপাদনের ০.০০৯৩% ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যা ব্রি-র তথ্যের সাথে অনেকটা মিল আছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে প্রাপ্ত তথ্য নিম্নের ছকে প্রদান করা হলো।

ছক-১ঃ অঞ্চলভিত্তিক ব্লাস্ট রোগাক্রান্ত এলাকা এবং ক্ষতির মাত্রা


অঞ্চল

আবাদি এলাকা (হেঃ)

 আক্রান্ত এলাকা (হেঃ)

 আক্রান্ত এলাকার হার (%)

 মোট সম্ভাব্য উৎপাদন (টন)

 আক্রান্ত এলাকার সম্ভাব্য উৎপাদন (টন)

 মোট সম্ভাব্য ক্ষতি (টন)

 মোট সম্ভাব্য ক্ষতি (%)
ঢাকা ৬০০০০০ ২০ ০.০০৩ ২৪০৬০০০ ৮০.২ ১৬.০৪ ০.০০০৭
ময়মনসিংহ ৬৭৩০০০ ২৫ ০.০০৪ ২৭০২৬২০ ১০০.২৫ ২০.০৫ ০.০০০৭
ফরিদপুর ১৮৬৫০০ ৭৪৭৮৬৫
বরিশাল ১৬৬১৭৫ ৬৫ ০.০৩৯ ৬৬৬৩৬২ ২৬০.৬৫ ৫২.১৩ ০.০০৭৮
যশোর ৪০১০০০ ৫৮ ০.০১৪ ১৬০৮০১০ ২৩২.৫৮ ৪৬.৫২ ০.০০২৯
খুলনা ২৩৭১৭৫ ৬১ ০.০২৬  ৯৫১০৭২ ২৪৪.৬১ ৪৮.৯২ ০.০০৫১
 চট্টগ্রাম ২৫৩০০০ ১১৫৪ ০.৪৫৬ ১০১৪৫৩০ ৪৬২৭.৫৪ ৯২৫.৫১ ০.০৯১২
রাঙ্গামাটি ২৫০৬৯ ১১৩ ০.৪৫১ ১০০৫২৭ ৪৫৩.১৩ ৯০.৬৩ ০.০৯০২
কুমিল্লা ৩৩৬৩৩০ ৪৫০ ০.১৩৪ ১৩৪৮৬৮৩ ১৮০৪.৫ ৩৬০.৯ ০.০২৬৮
সিলেট ৪৮১৫২১ ৩২৯ ০.০৬৮ ১৯৩০৮৯৯ ১৩১৯.২৯ ২৬৩.৮৬ ০.০১৩৭
রাজশাহী ৩৭০৭৬৫ ১৪৮৬৭৬৮
বগুড়া ৪৫৯৯৯০ ৩৬.৫ ০.০০৮ ১৮৪৪৫৬০ ১৪৬.৩৬ ২৯.২৭ ০.০০১৬
রংপুর ৫১৯১৫৯ ০.০০১ ২০৮১৮২৮ ১৬.০৪ ৩.২১ ০.০০০২
দিনাজপুর ২৭৮১২৭ ১১১৫২৮৯
মোট ৪৯৮৭৮১১ ২৩১৫.৫ ০.০৪৬ ২০০০৫০১২ ৯২৮৫.১৫ ১৮৫৭.০২ ০.০০৯৩

ব্লাস্ট রোগের কারণঃ নেক ব্লাস্ট রোগের কারণ অনুসন্ধানে ও কৃষকদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায় যে, ২৬-২৯ মার্চ, ২০১৮ গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি হয়েছিল এবং এসময় যেসব মাঠের ধান ফুল আসা পর্যায়ে ছিল সেসব গাছে শীষ ব্লাস্ট হয়েছে। শীষ ব্লাস্ট রোগটি হওয়ার সাথে সাথেই কৃষকের ক্ষতি হয়ে যায় সে জন্য আগাম ছত্রাকনাশক প্রয়োগ করা উচিত। অনেক কৃষক শীষ ব্লাস্ট রোগ দমনের জন্য আগাম ছত্রাকনাশক ব্যবহার করেছেন এবং তারা ক্ষতিগ্রস্ত হননি। খড়নিয়া, ডুমুরিয়া, খুলনা এলাকার শেখ মঞ্জুর রহমান (মোবাইল নং-০১৭৮০-২৩৫৪১১), মোঃ আব্দুল আজিজ (মোবাইল নং-০১৯১৫-৫২০২৮১), হাফিজুর মোড়ল (মোবাইল নং-০১৭৩০-৯৫৪০৩৯), শ্রীপুর, গাজীপুর এলাকার মোঃ হুমায়ুন কবীর (মোবাইল নং-০১৭৩৭-৮৮৫১১২), মোঃ নজরুল ইসলাম (মোবাইল নং-০১৭৪১-৪৮৫৪৪৪) তাদের জমিতে ব্লাস্ট রোগের আক্রমণের পূর্বেই প্রয়োজনীয় ছত্রাক নাশক (ট্রুপার ও নেটিভো) ব্যবহার করে ভাল ফল পেয়েছেন।

বিভিন্ন ছত্রাকনাশক কোম্পানি কৃষকদেরকে অননুমোদিত ছত্রাকনাশক প্রয়োগে প্রভাবিত করায় কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হন। কৃষকের দেয়া তথ্য অনুয়ায়ী জানা যায় যে, তারা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শ গ্রহণ না করে কোম্পানী কর্তৃক অননুমোদিত ও অকার্যকরী ছত্রাকনাশক ব্যবহার করেন ফলে অনেক সময় শীষ ব্লাস্ট রোগ সফলভাবে দমন করা সম্ভব হয় না।

কৃষকদের প্রতি পরামর্শঃ ইউরিয়া সারের মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহার কমিয়ে ব্লাস্ট রোগের প্রাদুর্ভাব কমানো সম্ভব। অনুমোদিত মাত্রার পটাশ সারের ২ কিস্তিতে ব্যবহার (জমি শেষ চাষের সময় অর্ধেক এবং বাকি অর্ধেক ইউরিয়া সারের শেষ কিস্তির সংগে উপরি প্রয়োগ)। শীষ ব্লাস্ট রোগের অনুকুল আবহাওয়া গাছের ফুল আসা পর্যায়ে বিরাজ করলে নেটিভো বা ট্রুপার ছত্রাকনাশক অথবা অনুমোদিত যেকোন ছত্রাকনাশক থোরের শেষ অবস্থা থেকে শুরু করে ৫-৭ দিন ব্যবধানে দুই বার স্প্রে করা।

এবছর আগাম জাতগুলোতে ধানের দানা পুষ্ট হওয়ার পরে ব্লাস্ট রোগে আক্রান্ত হওয়ায় ক্ষতির পরিমাণ তুলনামূলকভাবে কম। বর্তমানে অধিকাংশ ধান পাকার পূর্ববর্তী পর্যায় মন্ড বা ক্ষীর (Dough stage) অবস্থায় রয়েছে। এই অবস্থায় ব্লাস্ট এর আক্রমণ হলে ফলনে তেমন প্রভাব পড়ে না। তাছাড়া ব্রি এবং ডিএই এর যৌথ উদ্যোগে বিতরণকৃত ৬,০০,০০০ (ছয় লক্ষ) ফ্যাক্টশীট এবং ব্লাস্ট রোগ দমনে কৃষক, কীটনাশক ডিলার ও সম্প্রসারণকর্মীদের প্রশিক্ষণের ফলে কৃষকরা আগাম ছত্রাকনাশক প্রয়োগে অনেকটা উদ্বুদ্ধ হয়েছিল, যা তাদের ফসলকে রক্ষা করতে সাহায্য করেছে।

ব্রি’র সদর দপ্তর ও আঞ্চলিক কার্যালয়ের জনবলের সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও যে সব এলাকায় ব্যাপকভাবে বোরো ধান চাষ হচ্ছে এবং যেখানে ব্লাস্ট রোগের প্রকোপ দেখা দিয়েছে সেসব এলাকায় বিজ্ঞানীবৃন্দ সম্প্রসারণ বিভাগের সহায়তায় পরিদর্শন করে রোগ ব্যবস্থাপনার প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করছেন। ফলে রোগের বিস্তার এবং ক্ষতির মাত্রা সহনীয় পর্যায়ে রাখা সম্ভব হয়েছে। মওসুমের শুরুতে কোন কোন এলাকায় পাতা ব্লাস্ট হলেও সময়মত সঠিক মাত্রায় ছত্রাকনাশক প্রয়োগে তা ব্যাপকভাবে বিস্তার লাভ করতে পারেনি।

কৃষকদের সঙ্গে মতবিনিময় ও আক্রান্ত এলাকা পরিদর্শনে আরও জানা যায় যে, কিছু এলাকায় রোগের কারণে যে ক্ষতি হয়েছে যা মোট আবাদি জমির তুলনায় খুবই সামান্য। যে সব এলাকার কৃষকরা গবেষণা ও স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ অফিসের পরামর্শ যথাযথভাবে অনুসরণ করতে পারেননি বা কীটনাশক ডিলারদের শরণাপন্ন হয়ে সঠিক পরামর্শ পাননি, তারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। ব্রির উদ্যোগে পরিচালিত জরিপে, সরেজমিন পরিদর্শন এবং কৃষকদের সাথে মতবিনিময়ের প্রেক্ষিতে বলা যায় ক্ষতির পরিমাণ ২৪৮০ টনের মতো হতে পারে।

ঢাকায় যক্ষ্মা ও ডায়রিয়াজনিত রোগের উপর গবেষণা কর্মশালা

বাকৃবি প্রতিনিধি:ডেইরি ফার্মিংয়ে জুনোটিক যক্ষ্মা ও ডায়রিয়াজনিত রোগের গবেষণা প্রকল্পের উদ্বোধন কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় মহাখালীর আইসিডিডিআরবির সাসাকাওয়া সম্মেলন কক্ষে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিক হয়। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি), আইসিডিডিআরবি ও কৃষি গবেষণা ফাউন্ডেশন (কেজিএফ) এ কর্মশালা আয়োজন করে। কেজিএফ তিন বছর মেয়াদী এ প্রকল্পের অর্থায়ন করছে।

জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ, পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করবে এবং একটি সুস্থ প্রজন্ম গড়ে উঠবে-প্রধানমন্ত্রী

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম ডেস্ক:জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহে গৃহীত কার্যক্রমগুলো বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের মধ্যে ব্যাপক সচেতনতা সৃষ্টি করবে। খাদ্যের মান ও পুষ্টি সম্পর্কে জনগণের জানার আগ্রহ বাড়বে, যা তাদের পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করবে এবং একটি সুস্থ প্রজন্ম গড়ে উঠবে।

গ্রামীণ পর্যায়ে ডিম ও ব্রয়লার গ্রহনের হার বাড়াতে হবে-নাজমুল আহসান খালেদ

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম:গ্রামের লোকজন যাতে প্রানীজ প্রোটিনের সবচেয়ে সহজলভ্য এবং সস্তা উৎস ডিম ও ব্রয়লার খেতে পারে সেদিকটির প্রতি লক্ষ রাখার অনুরোধ জানিয়েছেন খালেদ গ্রুপ অব কোম্পানীজের চেয়ারম্যান এবং নারিশ পোল্ট্রি এন্ড হ্যাচারী লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব নাজমুল আহসান খালেদ। তিনি বলেন দেশের মানুষের অপুষ্টি দূর করতে এসব পুষ্টিসম্পন্ন খাবার গ্রহনে উদ্বুদ্ধ করতে সকলকেই একযোগে কাজ করতে হবে।

খাদ্যের মধ্যে নিহিত পুষ্টিগুণ আমাদের সুস্থ, সবল ও কর্মক্ষম রাখে-রাষ্ট্রপতি

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম ডেস্ক:খাদ্যের মধ্যে নিহিত পুষ্টিগুণ আমাদের সুস্থ, সবল ও কর্মক্ষম রাখে। তাই জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ ২০১৮ এর এবারের প্রতিপাদ্য ‘খাদ্যের কথা ভাবলে পুষ্টির কথাও ভাবুন’ যথাযথ হয়েছে বলে মনে করেন রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ। জাতীয়ভাবে পুষ্টি সপ্তাহ পালনের উদ্যোগ জনগণকে পুষ্টি সচেতন করার পাশাপাশি সুস্থ, সবল ও সমৃদ্ধশালী জাতি গঠনে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

নিরাপদ ডিম ও ব্রয়লার উৎপাদনে খামারীরা এখন অধিক সচেতন-ডা. কামরুজ্জামান

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম:নিরাপদ ডিম ও ব্রয়লার উৎপাদনে খামারীরা এখন অধিক সচেতন। দেশের এনিম্যাল হেলথ সেক্টরে প্রাকৃতিক পন্য ব্যবহারের মাধ্যমে পোল্ট্রি খামারীরা এখন নিরাপদ পোল্ট্রিজাত পন্য উৎপাদন করছে। এন্টিবায়োটিক এর বিকল্প হিসেবে এসব পন্যের ফলাফলও বেশ আশাব্যঞ্জক। এসব দিক বিবেচনা করে খামারীরাও বর্তমানে এ ধরনের এনিম্যাল হেলথ্ ব্যবহারে ঝুঁকছেন।

ফলের চাহিদা মিটাতে হাইব্রিড নাবি জাত বারি আম-৪ এর চাষ বাড়াতে হবে-ড. আযাদ

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম:বিএআরআই উদ্ভাবিত বারি আম-৪ হাইব্রিড ফলের উৎপাদন শীর্ষক মাঠ দিবস-২০১৮ গতকাল শনিবার ২১ এপ্রিল চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী এলাকায় উৎসাহ উদ্দিপনায় এক আনন্দঘন সন্ধিক্ষনে পালিত হয়েছে। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল জাত ও উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে বারি আম-৪ হাইব্রিড ফলের বাম্পার ফলন হয়েছে।

CEO​ ​of ZALTECH GmbH visit Bangladesh ​to collaborate with AXON Group

Agrilife24.com:The CEO Mr. Helmut Gstohl & the Head of International Business Mr. Robert Greimel of Zaltech International GmbH from Austria has paid a courtesy visit for the 1st time in Bangladesh just for a day on the Pahela Baosakh. Purpose was to get themselves acquainted with few of the major meat processing companies in the country at the same time to concrete the business collaboration with AXON Group as their exclusive local Distributor.

ঢাকায় “Food and Environment Safety in Commercial Poultry Production”-শীর্ষক সেমিনার

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম:দেশে খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তায় পোল্ট্রির গুরুত্ব অপরিসীম আর এক্ষেত্রে বাণিজ্যিক পোল্ট্রি খামারগুলি বিশেষ অবদান রেখে চলেছে। তবে উৎপাদনের পাশাপাশি পরিবেশে নিরাপত্তার বিষয়টি এখন অপরিহার্য হয়ে দাড়িয়েছে। রাজধানী ঢাকায় দিনব্যাপি এক কারিগরী সেমিনারের মাধ্যমে দেশ-বিদেশের বরেণ্য পোল্ট্রি বিশেষজ্ঞরা এসব বিষয়গুলির বিজ্ঞানভিত্তিক তথ্য তুলে ধরলেন।

ডক্টরস্ এগ্রোভেট ও কেমিন ডেয়রী ডিভিশনের মধ্যে এক্সক্লুসিভ চুক্তি স্বাক্ষর

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম:Doctor’s Agro-vet Ltd. দেশে এনিম্যাল হেলথ সেক্টরের ডেয়রী মার্কেটে Kemin Industries South Asia Pvt. Ltd. (Dairy Division)-এর পণ্য ENERFAT PLUS বিপনন করবে। এ লক্ষ্যে উভয় কোম্পানীর মধ্যে সম্প্রতি এক এক্সক্লুসিভ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।